আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই উপত্যকা স্বাভাবিক হয়ে যাবে পরিস্থিতি, কাশ্মীরিদের সঙ্গে বৈঠক আশ্বাস অমিত শাহের

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

নয়াদিল্লি: ১৫ দিনের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হবে জম্মু-কাশ্মীরে৷ মঙ্গলবার কাশ্মীর উপত্যকার এক প্রতিনিধিদলকে এই আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷

মঙ্গলবার দিল্লিতে প্রথমবার সেখানকার ১০০ জন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৷ এরপর মালহোত্রার বাসভবনে গিয়ে, তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। সেই সাক্ষাতে তাঁর সঙ্গী ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় কার্যকারী সভাপতি জে পি নাড্ডা। ৩৭০ ধারা রদ নিয়ে দেশজুড়ে প্রচারের লক্ষ্যে চলতি মাসের পয়লা তারিখ থেকেই ‘জনজাগরণ অভিযান’ শুরু করেছে বিজেপি। এই কর্মসূচি যাতে কাশ্মীরের মাটিতে সফল হয়, সেদিকে নজর রেখেই মালহোত্রার সঙ্গে শাহের সাক্ষাৎ বলে মত রাজনৈতিক মহলের। কেন্দ্রের মোদি সরকার যে কাশ্মীরের মানুষের উন্নয়নের জন্য নিরন্তর প্রয়াস করছে, সেই বার্তাই উপত্যকার মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই, জনজাগরণ অভিযানের উদ্দেশ্য। এর জন্য কেন্দ্র বিভিন্ন প্রকল্পের প্রচার, যা খুব শীঘ্রই কার্যকর হবে, তার উপকারগুলির উপর জোর দিচ্ছে বিজেপি। একমাসব্যাপী এই কর্মসূচির রাশ রয়েছে শাহ-র হাতেই। তিনিই দলের নেতা থেকে মন্ত্রী, সকলকে এ বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন।

অন্যদিকে, কাশ্মীরের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা এদিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আধিকারিকদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন। শাহ-র সঙ্গে বৈঠকে ৩৭০ রদের পর জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। কাশ্মীরে যাতে শান্তি ফেরে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকে, সেই বিষয়ে শাহ জোর দেন। প্রতিনিধিদলে জম্মু, পুলওয়ামা, শ্রীনগর এবং লাদাখের প্রতিনিধিরাও হাজির ছিলেন। ছিলেন কাশ্মীরের ২২ জন গ্রাম প্রধানও। 

বৈঠকে অমিত শাহ আশ্বাস দিলেন, আগামী ১৫-২০ দিনের মধ্যেই গোটা উপত্যকা থেকে বাড়তি বাহিনী প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। কেন্দ্রের আশা, বাড়তি নিরাপত্তারক্ষী সরিয়ে নেওয়া শুরু করলেই জীবন স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসবে কাশ্মীরে। এরই মধ্যে আজ সেনা ভর্তির পরীক্ষায় গোটা উপত্যকা থেকে প্রায় ২৯ হাজার যুবক অংশ নেওয়ায় উৎসাহী কেন্দ্র। শাসক শিবির মনে করছে, কাশ্মীরি যুবকদের চাকরির সুযোগ দিতে পারলে আপনিই কমে আসবে বিচ্ছিন্নতাবোধ, সন্ত্রাসবাদ।  

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest