কাঞ্চনজঙ্ঘা অভিযানে গিয়ে চরম বিপদের মুখে দুই বাঙালি, ৮০০০ মিটার উপরে আশঙ্কাজনক ভাবে আটকে

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

#কলকাতা: ঠিক যেন পাঁচ বছর আগের স্মৃতি ফিরে এল। সে বার কাঞ্চনজঙ্ঘা অভিযানে গিয়ে চিরতরে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন ছন্দা গায়েন। আর এ বার ঠিক একই রকম সংশয় তৈরি হয়েছে দুই পর্বতারোহী কুন্তল কাঁড়ার এবং বিপ্লব বৈদ্যকে ঘিরে। পর্বতারোহণ সম্পর্কিত পোর্টাল ‘ড্রিম ওয়ান্ডারলাস্টের’ সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কাঞ্চনজঙ্ঘার ‘ডেথ জোনে’ আহত অবস্থায় আটকে পড়া কুন্তল ও বিপ্লবকে উদ্ধার করার প্রথম অভিযান ব্যর্থ হয়েছে। তাঁদের উদ্ধার করার আশা ক্রমশ ক্ষীণ হচ্ছে।

সোনারপুর আরোহী ক্লাবের বিপ্লব বৈদ্য, এই ক্লাবেরই রুদ্রপ্রসাদ হালদার, হৃদয়পুরের বাসিন্দা এবং মাউন্টেন কোয়েস্ট ক্লাবের সদস্য রমেশ রায় ইছাপুরের শেখ সাহাবুদ্দিন ও হাওড়া ডিস্ট্রিক্ট মাউন্টেনিয়ারিং অ্যাসোসিয়েশনের কুন্তল কাঁড়ার এপ্রিল মাসের চার তারিখে রওনা দিয়েছিলেন বাঙালি অভিযাত্রী দল হিসেবে। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন পুর্বা, মিংমা, দাওয়া তেম্বা, দাওয়া সিরিং এবং দাওয়া নামের পাঁচ জন দক্ষ শেরপা।রাজ্যের পর্বতারোহী সংগঠনগুলির তরফে জানা গিয়েছে, বুধবার (১৫ মে,২০১৯) খুব ভোরে ওই চারজনই সফল ভাবে শৃঙ্গ জয় করেন। তার পর ছিল ক্যাম্প ৪-এ নেমে আসার পালা। ফেরার পথেই হাই অল্টিটুড পালমোনারি ইডিমা-তে আক্রান্ত হন হাওড়ার কুন্তল এবং কলকাতার আনন্দপুর এলাকার বাসিন্দা বিপ্লব। প্রথমে তাঁদের সঙ্গে থাকা-সহ অভিযাত্রী এবং শেরপারা তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে আসার চেষ্টা করেন। কিন্তু দু’জনেরই শারীরিক অবস্থার এতটাই অবনতি হয় যে আট হাজার মিটার উপরেই তাঁদের রেখে আসতে হয়। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী দু’জনেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং অভিজ্ঞ পর্বতারোহীদের দাবি, ওই জায়গা থেকে এ রকম গুরুতর অসুস্থ অভিযাত্রীকে নামিয়ে আনা অত্যন্ত কঠিন কাজ।

image
কুন্তল কাঁড়ার এবং বিপ্লব বৈদ্য (বাঁ দিক থেকে)। ছবি: ফেসবুক।

“অধিক উচ্চতায় বাংলার অভিযাত্রীরা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। বিপ্লব সামিট করতে পারলেও, কুন্তল মাঝপথেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন,” বলেছেন ‘পিক প্রমোশন’-এর ম্যানেজার মাসাং শেরপা। ২০১৪ সালের ২০ মে কাঞ্চনজঙ্ঘা অভিযানে থেকে ফেরার পথেই নিখোঁজ হয়ে যান ছন্দা গায়েন। সেই ঘটনার পাঁচ বছর পরে ফের একই পথে বাঙালি অভিযাত্রীরা। চিন্তা আর উদ্বেগের প্রহর কাটছে না পরিবার ও আত্মীয়দের। ঘরের ছেলে কি ঘরে ফিরে আসবে? এখনও আশায় বুক বেঁধে রয়েছেন আপনজনেরা।

অন্যদিকে, দলের আরও এক সদস্য রুদ্রপ্রসাদ হালদার গুরুতর ফ্রস্ট বাইটে আক্রান্ত হয়েছেন। ক্যাম্প-৪ এ থাকা অসুস্থ দু’জন পর্বতারোহী রমেশ রায় এবং রুদ্র প্রসাদ হালদারকে ক্যাম্প-৩ এ নামিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। সেখান থেকে তাদের হেলিকপ্টারের সাহায্যে উদ্ধার করার কথা রয়েছে।

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest