‘জয় শ্রী রাম’ বলা নিয়ে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ গুড়াপে, পুলিশকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ের

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

#কলকাতা:  জয় শ্রীরাম স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষের মধ্যে পুলিশের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ ঘিরে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিল হুগলির গুড়াপ।

অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিক এবং তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের গ্রেফতারের দাবিতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জায়গায় জায়গায় রাস্তা অবরোধ করে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। ধনেখালি ফিডার রোড-সহ বিভিন্ন জায়গায় টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন বিক্ষোভকারীরা। অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গে শুরু হয়ে যায় বিজেপি কর্মীদের সংঘর্ষ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এ দিন উত্তেজিত বিজেপি কর্মীরা পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে এবং থানা লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি করেন। তাঁদের রুখতে দফায় দফায় কাঁদানে গ্যাস ছুড়তে হয় পুলিশকে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং র‌্যাফ। তাঁরা পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা করছেন। গ্রামের পর গ্রামে চলছে বিজেপির বাইক বাহিনীর তাণ্ডব।  প্রায় আড়াইশোটি বাইক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এলাকা। গ্রামে দেখা নেই পুলিসের। কার্যত ‘এরিয়া ডোমিনেট’ করছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।

ঘটনার সূত্রপাত বুধবার রাতে। গুড়াপ থানা এলাকার বাথানগেড়িয়া-আঁশপাড়া গ্রামে জয় শ্রীরাম স্লোগান দেওয়া নিয়ে সংঘর্ষ শুরু হয় তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মীদের মধ্যে। সংঘর্ষ থামাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। বিজেপির অভিযোগ, পুলিশ সংঘর্ষ থামানোর নামে এক তরফা তাদের কর্মীদের আটকে মারধর করে। এর পরেই বিজেপি কর্মীরা ঘিরে ধরে পুলিশকে। শুরু হয়ে যায় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, মারামারি। এর মধ্যেই গুলিবিদ্ধ হন স্থানীয় বিজেপি কর্মী জয়চাঁদ মালিক। বিজেপির অভিযোগ, পুলিশ তাদের ওই কর্মীকে লক্ষ্য করে বিনা প্ররোচনায় গুলি চালিয়েছে। এর পরেই পুলিশকে আটকে রেখে তাদের গাড়ি ভাঙচুর করে। জেলা পুলিশ সুপার সুখেন্দু হীরা জানিয়েছেন গন্ডগোলের সময় পুলিশের পিস্তল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়। সেই সময় অসাবধানতার মধ্যে গুলি ছুটে যায়।

অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার হুগলির গুড়াপে গিয়ে পুলিশকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিলেন বিজেপির রাজ্য সম্পাদক রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর হুঁশিয়ারি, ‘এখনও সময় আছে, শুধরে যান। আপনাদের বাড়িতে ছেলে-মেয়ে আছে। আমরা ক্ষমতায় এসে যদি ধর্ষণ-আফিম-গাঁজার কেস দিই। তখন কেমন লাগবে!’

 

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest