‘ডিভাইডার ইন চিফ’ থেকে ‘ভারতকে এক করার রূপকার’, ক্ষমতায় ফিরতেই মোদীকে নিয়ে ‘ভুল’ সংশোধন টাইম ম্যাগাজিনের!

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

নিউজ কর্নার ওয়েব ডেস্ক: নির্বাচনের আগে লন্ডনের বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিনের কভারে নরেন্দ্র মোদীকে উল্লেখ করা হয়েছিল ‘ডিভাইডার ইন চিফ’ হিসেবে। ভোট মিটতেই উলটপুরান। সেই একই ম্যাগাজিনে এ বার বলা হলো, ‘মোদী এমন এক প্রধানমন্ত্রী, যিনি এমনভাবে ভারতকে এক জায়গায় এনেছেন যা আর কোনও প্রধানমন্ত্রী পারেননি।’

মঙ্গলবার টাইম ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হওয়া এই নিবন্ধে লেখা হয়েছে, “মোদী শুধুমাত্র নিজের ক্ষমতা ধরেই রাখেননি, নিজের ক্ষমতা আরও বাড়িয়েছেন। আর এটা তিনি করেছেন, ভারতের সবথেকে বড় বিষয় শ্রেণী বৈষম্য দূর করে।” এই নিবন্ধটি লিখেছেন মনোজ লাডওয়া নামের এক ব্যক্তি। মনোজ লাডওয়া ব্রিটেনের একটি মিডিয়া কোম্পানির মালিক। তিনি মোদীর এই জয়কে “গরিব মানুষদের জন্য জনকল্যাণমুখী পরিকল্পনার জয় বলে উল্লেখ করেছেন।” ভারতের পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায় থেকে উঠে এসে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদীর এই যাত্রাকে তিনি প্রত্যেকের কাছে শিক্ষনীয় বলেও উল্লেখ করেছেন।

ভোট চলাকালীনই আমেরিকার টাইম ম্যাগাজিনের আগামী সংখ্যার মলাট-কাহিনি নিয়ে দেশজোড়া বিতর্কের সূত্রপাত হয়ে যায়। ২০ মে মূদ্রণ সংখ্যায় ওই নিবন্ধটি প্রকাশিত হলেও ডিজিটালে চলে আসে তার আগেই। টাইম-এর ওই সংখ্যার প্রচ্ছদ কাহিনির শিরোনাম “ইন্ডিয়া’জ ডিভাইডার ইন চিফ”। সঙ্গে ছিল মোদীর একটি ছবিও। নরেন্দ্র মোদী সরকারের পাঁচ বছরের নানান তথ্য সম্বলিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় টাইম-এর ওই ইস্যুতে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি মোদীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলতেন, ভারতের বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী বিভেদের রাজনীতি করেন। টাইম-এর এই প্রচ্ছদ কাহিনিতেও সেই অভিযোগই মান্যতা পাওয়ায় সমালোচনা আরও তীব্র করেন বিরোধীরা।

তবে ৩০৩টি আসনে জয় ছিনিয়ে নিয়ে ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন করতেই টাইম-এর নিবন্ধের শিরোনামও একশো আশি ডিগ্রি ঘুরে গেল। এ বারের নিবন্ধটির লেখন মনোজ লাডওয়া, যিনি লন্ডন ভিত্তিক সংবাদপত্র গোষ্ঠী ইন্ডিয়া আইএনসি গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা এবং চিফ এক্সিকিউটিভ। ওই নিবন্ধে লাডওয়া লিখেছেন, “নরেন্দ্র মোদীর প্রথম দফায় এবং এ বারের ম্যারাথন নির্বাচনকালে তাঁকে কড়া এবং অন্যায় সমালোচনার মুখে পড়তে হলেও দেশের অন্য কোনও প্রধানমন্ত্রী গত পাঁচ দশকের মধ্যে ভোটারদের এ ভাবে ঐক্যবদ্ধ করতে পারেননি”।

ক্ষমতা ধরে রাখার ক্ষেত্রে মোদীর বেশ কিছু পরিকল্পনার কথাও বলা হয়েছে এই নিবন্ধে। বলা হয়েছে নোটবন্দির কথাও। নোটবন্দির মাধ্যমে খুব অল্প সময়ের কষ্টের ফল যে দীর্ঘকালীন সুবিধার মাধ্যমে মোদী পেয়েছেন, সে কথাও বলা হয়েছে এই নিবন্ধে। এ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন প্রকল্প, যেমন জন ধন যোজনার কথাও তুলে আনা হয়েছে। মনোজ বলেছেন, “বিভিন্ন ধরণের সামাজিক পরিকল্পনার মাধ্যমে মোদী দেশের হিন্দুদের ও মুসলিমদেরও বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। আর তার ফলেই ভারতের অন্যান্য প্রধানমন্ত্রীদের তুলনায় তাঁর সাফল্য এত বেশি।”

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest