দক্ষিণ কলকাতার নামী স্কুলের শৌচাগার থেকে উদ্ধার ছাত্রী, পরে মৃত্যু

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

#কলকাতা: দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়ালো দক্ষিণ কলকাতার জিডি বিড়লা হাইস্কুলে। শুক্রবার তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় স্কুলের শৌচাগার থেকে উদ্ধার করা হয়। সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণ কলকাতার একটি নার্সিং হোমে নিয়ে যাওয়ার পরে সেখানেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দশম শ্রেণির ওই ছাত্রীর নাম কৃতিকা পাল। তার বাড়ি রাণিকুঠি এলাকায়। তার বাঁ’হাতের শিরা কাটা ছিল ও মুখ প্লাস্টিক জাতীয় কিছু দিয়ে বাঁধা ছিল। শুক্রবার দুপুরের ওই ঘটনার তদন্তে নেমেছে রিজেন্ট পার্ক থানার পাশাপাশি কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড শাখাও।

স্কুল সূত্রে জানানো হয়েছে, কৃত্তিকা ক্লাসে প্রথম হত। এ দিন সকালে সে স্কুলে গিয়েছিল। দুপুরের আগের সব ক’টি ক্লাসও করে। শুক্রবার বেলা দেড়টার সময় কৃতিকা স্কুলের শৌচাগারে যায়। কিন্তু দুপুর ২টো ১০ বেজে যাওয়ার পরেও সে না ফেরায় এক শিক্ষিকা শৌচাগারে যান। সেখানে গিয়ে শৌচাগারের জানলা দিয়ে তিনি দেখতে পান, রক্তাক্ত অবস্থায় পরে রয়েছে সে। সঙ্গে সঙ্গে সবাইকে ডেকে আনেন তিনি। তারপরেই দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় নার্সিং হোমে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপি, ডিসি সাউথ ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্তারা। স্কুলে এসে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, আত্মহত্যা করেছে কৃতিকা। মুখে প্লাস্টিক বেঁধে বাঁ’হাতের শিরা কেটে জলে মুখ ডুবিয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছে সে। জানা গিয়েছে, ছাত্রীটির কাছ থেকে তিন পাতার একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার করা হয়েছে।

পরে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের চারজনের একটি দল। যেখান থেকে ছাত্রীটিকে উদ্ধার করা হয়েছে, সেখানে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছেন তাঁরা। এসে পৌঁছন লালবাজারের হোমিসাইড শাখার পুলিশ আধিকারিকরাও। স্কুলের কোথায় কোথায় সিসিটিভি আছে, সেটা পরখ করে দেখছে পুলিশ। সিসিটিভি থেকে কোনও তথ্য পাওয়া যায় কিনা তা দেখা হচ্ছে। সুইসাইড নোটের হাতের লেখাও ওই ছাত্রীর কিনা তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest