নাবালিকাকে ধর্ষণ করে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে খুন যোগীর রাজ্যে, নীরব প্রশাসন

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

#লখনউ: এক নাবালিকাকে ধর্ষণের পর ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে খুনের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়াল। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের উন্নাও জেলার সাফিপুর থানা এলাকায়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পরেই প্রবল উত্তেজনা ছড়িয়েছে ওই এলাকায়।

জানা গিয়েছে, মেয়েটির বাবা মাঝরাতে ঘুম ভেঙে মেয়েকে পাশে না দেখতে পেয়ে প্রথমে ভাবেন হয় তো সে মাঠে গেছে শৌচকাজ করতে। বেশ অনেকক্ষণ পেরিয়ে গেলেও মেয়ে ফিরে না আসায়, বাড়ির লোকজন এবং প্রতিবেশীদের নিয়ে বাবা মেয়েকে খুঁজতে বের হন। কাছেই একটি মাঠে মেয়ের দেহ উদ্ধার করেন তিনি। তার মাথা খেঁতলানো ছিল। ঘাড়ে এবং যৌনাঙ্গে প্রচুর আঘাতের চিহ্নও পেয়েছে পুলিশ। উন্নাওয়ের পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট এম পি বর্মা বলছেন, পকসো আইনে ধর্ষণ এবং খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে।

দু সপ্তাহও কাটেনি গোবলয়ে এই ঘটনা আবারও ঘটল। এর আগে ১২ বছরের দলিত একটি মেয়ে এই পৈশাচিক অত্যাচারের শিকার হয়েছিল। কুশিনগর জেলায় আহিরৌলি বাজার থানা এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছিল ৭ই জুন। ৯ই জুন পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন নিপীড়িত কিশোরীর মা। ঘটনায় ৬ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধেই আইপিসির একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। যার মধ্যে রয়েছে, ৩৭৬ (ধর্ষণ), পকসো আইন, এসসি/ এসটি অ্যাক্ট ছিল।

৭ থেকে ১০ই জুনের মধ্যে উত্তরপ্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশ মিলিয়ে মোট ৫ জন নাবালিকা অত্যাচারিতা হয়েছে।  আলিগড়ে এক আড়াই বছরের শিশুর অস্বাভাবিক মৃত্যুর দুদিন পর থেকেই এই খবরগুলো সামনে আসতে থাকে।  আলিগড়ের ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে।  তার পরেই এই কুশিনগরের ঘটনা সামনে এসেছিল। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নও থেকেই যাচ্ছে।  আর একের পর এক ঘটনার নৃশংসতায় শিউরে উঠছে গোটা দেশ।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest