ফি-বৃদ্ধির প্রতিবাদে উত্তপ্ত বিশ্বভারতী, রাতভর ঘেরাও, পড়ুয়া-অধ্যাপক হাতাহাতি

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

#বোলপুর: ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদ। ছাত্র বিক্ষোভে উত্তাল বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। লিপিকা প্রেক্ষাগৃহে রাতভর ঘেরাও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুত্ চক্রবর্তী -সহ বেশ কয়েকজন অধ্যাপক। কয়েকজন অধ্যাপক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। কয়েকজন অধ্যাপক বিক্ষোভ ঠেলে বেরনোর চেষ্টা করেন। ছাত্রছাত্রীরা বাধা দিলে, তাঁদের গায়ে হাত তোলা হয় বলে অভিযোগ।

ক্রমাগত ফি-বৃদ্ধির বিরুদ্ধে কয়েক দিন ধরেই বিক্ষোভ দেখানো হচ্ছে বিশ্বভারতী চত্বরে। বিশ্বভারতীতে ভর্তির ক্ষেত্রে চলতি বছর থেকে সাধারণ পড়ুয়াদের ফি দ্বিগুণ, সার্ক দেশের পড়ুয়াদের ফি পাঁচ গুণ ও বিদেশি পড়ুয়াদের ফি দশ গুণ বৃদ্ধি করেছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। এরপরেই বর্ধিত ফি কমানোর দাবিতে আন্দোলনে নামেন পড়ুয়ারা। সমস্যা সমাধানে ৮০ জন পড়ুয়াকে নিয়ে মঙ্গলবার বৈঠকে বসেন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, অধ্যাপক ও কর্মসমিতির সদস্য-সহ একাধিক আধিকারিক। এ দিনের বৈঠকে ফি বৃদ্ধির কারণ স্পষ্ট ভাবে পড়ুয়াদের সামনে তুলে ধরা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নতির জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কাছে ৫০ কোটি টাকা আর্থিক সাহায্য চেয়েছিল কর্তৃপক্ষ, কিন্তু মিলেছে মাত্র ১০ কোটি টাকা, এমনই দাবি করেন উপাচার্য। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নতির জন্যই এই ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত। ফলে ‘ফি’ কমানো কোনো ভাবেই সম্ভব নয় বলেও সাফ জানিয়ে দেন বিদ্যুৎবাবু। উপাচার্যের এই কথা শোনার পর ফের আন্দোলন শুরু করেন পড়ুয়ারা। মঙ্গলবার লিপিকা গৃহে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও অধ্যাপকদের ঘেরাও করা হয়। রাতভর চলে সেই ঘেরাও। তবে সারা রাত আটক থাকার ফলে অসুস্থ হয়ে পড়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েক জন মহিলা অধ্যাপক। বুধবার সকালে তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের করতে গিয়ে পড়ুয়াদের বাধার মুখে পড়েন কয়েক জন অধ্যাপক। তৈরি হয় হাতাহাতির পরিস্থিতি। গোটা ঘটনাতেই অস্বস্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest