বছরে ৭২,০০০ টাকা, ‘ন্যায়’-প্রতিশ্রুতি দিয়েই ভোট ইস্তেহার প্রকাশ কংগ্রেসের

নয়াদিল্লি: দলের সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে ২০১৯ লোকসভা ভোটের ইস্তেহার প্রকাশ করল কংগ্রেস। গত প্রায় এক বছর ধরে এই ইস্তেহার তৈরির কাজ চলেছে বলে এ দিনের অনুষ্ঠানে জানান তিনি।

ওয়েল অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার। নিজেদের তৈরি করা নির্বাচনী ইস্তাহারকে এই শব্দেই ব্যাখ্যা করল কংগ্রেস। সেই দাবির সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই দেশের ২২ লক্ষ সরকারি শূন্যপদে চাকরি এবং গরীব কৃষকদের অ্যাকাউন্টে বছরে সরাসরি ৭২,০০০ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। এদিন তিনি বলেন, যা করতে পারা যাবে, সেটাই লেখা হয়েছে এই ইস্তেহারে।কোনো মিথ্যা কথা লেখা হয়নি। গত পাঁচ বছরের যা দেশবাসী অনেক মিথ্যা শুনেছেন। ইস্তেহারের প্রথম থিম হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছে, কংগ্রেসের সদ্য ঘোষিত ন্যায় প্রকল্পকে। গরিব পরিবারগুলিকে সরকারি উদ্যোগে বছরে ৭২ হাজার টাকা দেওয়ার এই প্রস্তাবিত প্রকল্প নিয়েই যাত্রা শুরু করেছে কংগ্রেসের ইস্তেহার। দ্বিতীয় বেকারত্ব, তৃতীয় শিল্পায়ন এবং চতুর্থ থিম হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে কৃষি ঋণ মুকুবের বিষয়টিকে।
নয়াদিল্লিতে কংগ্রেসের এই ইস্তাহার প্রকাশে হাজির ছিলেন সনিয়া গান্ধী, মনমোহন সিং, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী সহ কংগ্রেসের অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারাও।
কর্মসংস্থান, কৃষি এবং মহিলাদের সুরক্ষা— গত পাঁচ বছরে এই তিনটি বিষয়ে পিছিয়েছে দেশ। তাই দেশকে আবার উন্নতির রাস্তায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে গত এক বছর ধরে তৈরি করা হয়েছে কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তাহার, এমনটাই জানান প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। ইস্তেহার প্রকাশ করে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দাবি, কৃষির উপর জোর দেওয়া হয়েছে এ বারের নির্বাচনী ইস্তেহারে। কৃষি নিবিড় অর্থনীতির মাধ্যমেই এ দেশে উন্নয়ন সম্ভব। সব মিলিয়ে কৃষকের আত্মসম্মানের চিহ্ন এই নির্বাচনী ইস্তেহার। রেল বাজেটের মতোই পৃথক কৃষি বাজেট পেশের দাবি সেই ইঙ্গিতই দিয়েছে। পাশাপাশি দাবি করা হয়েছে, সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তোলা হবে।