এর আগে কখনও নির্বাচন কমিশন কোনও রাজ্যের প্রচারের সময় কমিয়ে দেয়নি। বুধবার কলকাতায় অমিত শাহের রোড শো থেকে হিংসা ছড়ায়। রাজ্যে শাসক তৃণমূল কংগ্রেস ও বিরোধী বিজেপির কর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। বিদ্যাসাগর কলেজে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙচুর করা হয়। তার পরদিনই নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করে প্রচারের সময় কমিয়ে দেওয়া হল। মমতাও অভিযোগ করেন, মোদীকে দু’টি সভা করার সুযোগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তারপরে প্রচার বন্ধ করে দিচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধী হলেও, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে তারা বলেছে, বিজেপির হেড কোয়ার্টার্স থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়। কমিশন তা পালন করে। কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা বলেন, নির্বাচন কমিশন একসময় ছিল নিরপেক্ষ, বস্তুনিষ্ঠ। এখন তারা নিরপেক্ষতা হারিয়ে ফেলেছে।

মমতাও বলেছেন, নির্বাচন কমিশন বিজেপির নির্দেশে কাজ করছে। মোদী তৃণমূলকে ভয় পাচ্ছেন। বাংলার মানুষকেও ভয় পাচ্ছেন। তাঁর প্রশ্ন, মোদী এত ভয় পেয়েছেন কেন? কারণ তিনি জানেন, আমি তাঁকে চ্যালেঞ্জ করছি। তিনি আমাকে ভয় পান। বাংলার মানুষকেও ভয় পান।