বিষ্ণুপুরে চলল গুলি, ভোটারদের উপর লাঠিচার্জ কেন্দ্রীয় বাহিনীর, তোপ মমতার

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

#বিষ্ণুপুর: ১২ মে রাজ্যে শেষ হল ষষ্ট দফার ভোট। সারা রাজ্যে কমবেশি গণ্ডগোল চোখে পড়েছে দিনভর। বিষ্ণুপুরের কলাবাগানের ২০৭ নম্বর বুথে গুলি চালায় আধাসেনা।

বচসা শুরু হয় ভোটারদের মধ্যে। এক ভোটার লাইনে বেঁকে দাঁড়ানো নিয়েই শুরু হয় বচসা। তাঁকে বার বার লাইনে সোজা হয়ে দাঁড়াতে বলা সত্ত্বেও তিনি কথা শোনেন না। তখনই তাঁকে লাইন থেকে বার করে মারতে থাকে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তখন অন্য ভোটাররা প্রতিবাদ করেন। তাতে সবার উপর লাঠিচার্জ শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। শূন্যে গুলিও চালায় কয়েক রাউন্ড। আধা সেনার লাঠির ঘায়ে আহত ৩ ভোটার। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পুলিশের লাঠির ঘায়ে জখম হন আবদুল মান্নান দালাল, রুহুল আলি দালাল, ওদুদ দালাল। এঁদের নিয়ে আসা হয়েছে বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। শুধু লাইন নিয়ে বিবাদে গুলি চালনাই নয়, সকাল থেকেই ওই বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা বিজেপিকে ভোট দিতে প্রভাবিত করছিল বলেও অভিযোগ উঠছে।

নির্বাচনী হিংসা নিয়ে এদিন বিজেপির উপর ক্ষোভ উগরে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার বারুইপুরে নির্বাচনী সভা ছিল তাঁর। সেখান থেকেই মোদী সরকার ও বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি।

কেন্দ্রীয় বাহিনী নামিয়ে বাংলায় বিজেপি গুন্ডামি করছে বলে এ দিন অভিযোগ তোলেন মমতা। তিনি বলেন, “সকাল থেকে অত্যাচার করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। অনেক জায়গায় মারধর করেছে ওরা। আইনশৃঙ্খলা কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিষয়ই নয়। রাজ্য সরকারের এক্তিয়ারে পড়ে ওটা। তা সত্ত্বেও বেআইনি ভাবে সারাদিন ছেলে-মেয়ে, এমনকি সাংবাদিকদের পিটিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সব নরেন্দ্র মোদীর কথায়। ধিক্কার জানাই ওদের।”

বিজেপির উদ্দেশে তোপ দেগে মমতা বলেন, “ওরা ভাবছে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে ভোট করিয়ে দিয়ে যাবে। মানুষের ভোটগুলো কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে দেবে। কিন্তু ওরা ভাবতে পারে না, কেন্দ্রীয় বাহিনীর বন্দুকের আঘাতে বাংলার মানুষের মাথা নত করা যায় না। এটুকু বুদ্ধি ওদের নেই।”

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest