বিহারে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১৫৬, মন্ত্রী ও বিধায়কের ‘দেখা’ পেতে পুরস্কার ঘোষণা গ্রামবাসীদের

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

#পটনা: শিশুমৃত্যুর মিছিল অব্যাহত বিহারে। আজও তিনটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সারা রাজ্যে মৃতের মোট সংখ্যা ১৫৬। রাজ্যের ১৬টি জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে অ্যাকিউট এনসেফ্যালাইটিস সিনড্রোম (এইএস) বা চমকি বুখার। মুজফ্ফরপুর জেলাতেই ১২২টি শিশু মারা গিয়েছে। এ ছাড়াও ভাগলপুর, বৈশালী, পূর্ব চম্পারণ, সীতামঢ়ী, সমস্তীপুর ও পটনায় মৃত্যুর খবর মিলেছে। অসুস্থ হয়েছে কম করে ৬০০ শিশু।

শিশু মৃত্যু ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন থেকে  রাজ্য সরকারের চরম ব্যর্থতার অভিযোগ উঠেছে। এবার নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিলেন বিহারের বৈশালী গ্রামের বাসিন্দারা। মন্ত্রী রামবিলাস পাসওয়ান এবং স্থানীয় বিধায়কের খোঁজে ব্যানার পড়ল গ্রাম জুড়ে। গবাদি পশুর সঙ্গে ওই সব ব্যানার সেঁটে দেওয়া হয়।

বৈশালী গ্রামে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি গ্রামবাসীদের। কিন্তু কোনও মন্ত্রীদের দেখা নেই। এই কেন্দ্রে রামবিলাস পাসওয়ানের দল লোক জনশক্তি পার্টির প্রার্থী জিতেছে। রাজেডি-র রঘুবংশ প্রসাদ সিং-কে হারিয়ে প্রায় দু-লক্ষ ভোটে জেতেন এলজেপি বীনা দেবী। রামবিলাস পাসওয়ানকে খুঁজে দিতে পারলে ১৫ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। আর বিধায়কের খোঁজ দিলে ৫ হাজার টাকা।

গোটা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চেয়ে রাজ্যসভায় নোটিস দিয়েছেন আরজেডি সাংসদ মনোজ ঝা। পাশাপাশি, নীতীশ সরকারের বিরুদ্ধে বিজেপির স্থানীয় নেতারাই ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। সরকারের ভিতরে বিজেপি মন্ত্রীদের বিরুদ্ধেও স্থানীয় নেতাদের ক্ষোভ রয়েছে। তা সামাল দিতে রাজ্য নেতৃত্ব চেষ্টা চালাচ্ছে। বিধানসভার আগামী অধিবেশন শুরু হচ্ছে ২৬ জুন থেকে। অধিবেশনে বিজেপি বিধায়কদের একাংশ নিজেদের সরকারের বিরুদ্ধেও মুখ খুলতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest