ভোট শেষ হতেই অপসারিত বাঁকুড়ার জেলাশাসক, নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত কমিশনের

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

#কলকাতা: ষষ্ঠ দফার ভোট মিটতেই অপসারণ করা হল বাঁকুড়ার জেলাশাসক ডা. উমাশংকর এস-কে। রবিবার রাতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে এই নির্দেশিকা পাঠায় দিল্লির জাতীয় নির্বাচন কমিশন। একই সঙ্গে আগামী সোমবার নতুন জেলাশাসককে দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। কমিশনের এই নজিরবিহীন সিদ্ধান্তে শুরু হয়েছে জোরালো রাজনৈতিক বিতর্ক।

গত শুক্রবার জেলার সিপিএম নেতৃত্ব উমাশঙ্কর এস কের নামে কমিশনে নালিশ জানায়৷ তাদের অভিযোগ ছিল, শাসক দলের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করছেন তিনি৷পরে বিজেপির পক্ষ থেকেও তাঁর বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ জানানো হয়েছিল৷ সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কপ্টার নামা নিয়ে অসহযোগিতা করেছিলেন জেলাশাসক। শুধু তাই নয়, মোদীর সভাস্থল নিয়েও তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ছিল। আর সেই কারণেই কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করে হচ্ছে।

notice

উমাশঙ্করের অপসারণ প্রসঙ্গে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তথা বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্রের সিপিএম প্রার্থী অমিয় পাত্র বলেন, “ভোট মিটে যাওয়ার পর তাঁকে সরিয়ে কি লাভ হল? আমরা তো জানিয়েছিলেন উনি শাসক দলের হয়ে কাজ করছেন৷ তবে পরে হলেও কমিশনের এই সিদ্ধান্তে আমাদের নৈতিক জয় হয়েছে৷” তবে কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি৷ তাদের বক্তব্য, “উনি ভোট লুঠ করেছেন, আগেই সরানো উচিত ছিল৷”

প্রশাসন সূত্রে খবর, উমাশংকর এস-কে অপসারণ করে তাঁর পরিবর্তে বাঁকুড়ার জেলাশাসকপদে নিয়ে আসা হয়েছে মুক্তা আর্যকে। বর্তমানে খাদ্য দফতরের যুগ্মসচিব পদে রয়েছেন তিনি। বাঁকুড়ার জেলাশাসক হিসেবে মুক্তা আর্য’র নিয়োগপত্র সোমবারই তৈরি হয়ে যাবে বলে নবান্নের তরফে জানানো হয়েছে।

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest