মহাত্মা গান্ধী, অটলবিহারী বাজপেয়ীর স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন মোদীর, মন্ত্রীসভা নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

#নয়াদিল্লি: আজ সকালে মহাত্মা গান্ধী ও অটলবিহারী বাজপেয়ীর স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সন্ধেয় শপথগ্রহণ করবেন তিনি, উপস্থিত থাকবেন দেশ, বিদেশের বহু অতিথি। রাষ্ট্রপতি ভবনে সন্ধে ৭টায় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। রাষ্ট্রপতি কোবিন্দের কাছে শপথবাক্য পাঠ করবেন প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যরা।

উপস্থিত থাকবেন দেশবিদেশের বহু সম্মানীয় অতিথি ও রাজনীতিবিদরা। প্রায় ৮,০০০ অতিথি এদিনের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে মনে করা হচ্ছে। ২০১৪ এ শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৫,০০০ অতিথি। প্রতিবেশী দেশের রাষ্ট্রনেতা, অনেক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, বিনোদন জগতের বেশ কিছু মুখ দেখা যেতে পারে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে। গত এক বছরে রাজ্যের রাজনৈতিক হিংসায় যে সমস্ত বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা তাঁদের পরিবার, স্বজন হারিয়েছে, তাদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে। তালিকায় রয়েছেন, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী, ইউপিএ চেয়ারপার্সন সনিয়া গান্ধী। নতুন সরকারে তিনি থাকতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন অরুণ জেটলি। বুধবার তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

৮ হাজারেরও বেশি অতিথি আমন্ত্রিত মোদীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে। আমন্ত্রিত বাংলাদেশ, মায়ানমার, শ্রীলঙ্কা, তাইল্যান্ড, নেপাল, ভুটান— বিমস্টেকের সব দেশের প্রতিনিধিরা। সকালেই ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং এবং মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী দিল্লি বিমানবন্দরে এসে পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন বিদেশ সচিব বিজয় গোখলে। রাষ্ট্রপতি ভবনের ইতিহাসে সব চেয়ে বড় অনুষ্ঠান হতে চলেছে এটা। ভারতের সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, বিদেশি রাষ্ট্রনেতা, হবু মন্ত্রী ও তাঁদের পরিবারের ১০ জন করে সদস্য, সমস্ত নতুন সাংসদও আমন্ত্রিত এই অনুষ্ঠানে। অতিথির তালিকায় আরএসএস নেতা, শিক্ষাবিদ, চিত্রতারকা, শিক্ষা ও ক্রীড়া জগতের বিভিন্ন ব্যক্তিত্বও রয়েছেন।

অন্যদিকে, শপথের আগে মন্ত্রীসভার সদস্যদের নাম চূড়ান্ত করতে দফায় দফায় বৈঠক চলছে মোদী এবং অমিত শাহের মধ্যে। বুধবার বিকেলে ঘণ্টা তিনেকের বৈঠকের পর বৃহস্পতিবার সকালেও একদফা বৈঠক হয়েছে দু’জনের মধ্যে। কে কে মন্ত্রী হচ্ছেন, সেই ব্যাপারে প্রাথমিক একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর রাজনাথ সিং, নীতিন গড়কড়ি, পীযূষ গয়াল, নির্মলা সীতারমন, সুরেশ প্রভু, স্মৃতি ইরানি, রবিশঙ্কর প্রসাদ, ভিকে সিং এবং রামবিলাস পাসওয়ান মন্ত্রিত্ব ধরে রাখছেন। তবে আগের মন্ত্রকই তাঁদের দায়িত্বে থাকবে, না কি নতুন দফতর দেওয়া হবে সে ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি। তবে আগের মন্ত্রীসভার গুরুত্বপূর্ণ মুখ অরুণ জেটলি যে এ বার মন্ত্রী হবেন না, সেটা তিনি বুধবারই জানিয়ে দিয়েছেন। অসুস্থতার কারণে এ বার মন্ত্রী হচ্ছেন না তিনি। তবে পশ্চিমবঙ্গ থেকে একাধিক ব্যক্তি মন্ত্রী হতে পারেন বলেও সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে।

শিবসেনার সঞ্জয় রাউত জানিয়েছেন, এনডিএ-র বৈঠকে স্থির হয়েছে, প্রত্যেক শরিক দল থেকে একজনকে মন্ত্রী করা হবে। শিবসেনা থেকে মন্ত্রী হবেন অরবিন্দ সাওয়ান্ত। লোক জনশক্তি পার্টি স্থির করেছে, তাদের নেতা রামবিলাস পাসোয়ান মন্ত্রিসভার সদস্য হবেন। যদিও আগে শোনা গিয়েছিল, এবার তাঁর ছেলে চিরাগ পাসোয়ান মন্ত্রী হতে চলেছেন। বিজেপি এবার যতগুলি আসন পেয়েছে, তাতে তারা একাই সরকার গড়ে ফেলতে পারে। কিন্তু অল্পদিনের মধ্যে কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভা ভোট আছে। তখন শরিকদের প্রয়োজন হবে বিজেপির। তাই কেন্দ্রে মন্ত্রিসভা গঠনের সময় শরিক দলগুলিকে খুশি রাখতে চান অমিত শাহরা।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest