মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন অখিলেশের, রণকৌশল নিয়ে আলোচনা করতে বাড়িতে গেলেন চন্দ্রবাবু

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

#কলকাতা: বুথ ফেরত সমীক্ষাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ বিরোধী শিবিরের অন্যতম নেতা অখিলেশ যাদব। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এদিন দুপুরে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, উত্তর প্রদেশে এসপি-বিএসপি জোট ৫০ টির বেশি আসন পাবে।

অন্যদিকে, জোটের পালা হাওয়া লাগাতে তাঁর সঙ্গে বাড়িতে দেখা করতে এলেন চন্দ্রবাবু নাইড়ু। এ দিন বিকেল ৫টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন চন্দ্রবাবু। এর পর তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কালীঘাটের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। সেখানেই এ দিন সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে  বৈঠকে বসেন চন্দ্রবাবু। সূত্রের খবর, নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়েই আলোচনা হয় তাঁদের মধ্যে। বৃহস্পতিবার লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরে কোন পথে এগোবে মহাজোট, সেই স্ট্র্যাটেজি নিয়েও কথা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। কলকাতা সফরের আগে সংবাদমাধ্যমে চন্দ্রবাবু জানান, নির্বাচন কমিশনের কাছে ইভিএমে কারচুপি নিয়ে তাঁদের আশঙ্কার কথা জানাবেন। ইভিএমে কারচুপি নিয়ে চন্দ্রবাবু তো বটেই, মমতার মুখেও শোনা গিয়েছে আশঙ্কার কথা। পাশাপাশি, বুথফেরত সমীক্ষাকেই ‘গসিপ’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন মমতা। চন্দ্রবাবু জানিয়েছেন, আগামী বুধবার ইভিএম নিয়ে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত থাকতে মমতাকে অনুরোধ করেছেন তিনি।

বুথফেরত সমীক্ষায় ফের এনডিএ সরকারের জয়জয়কারের ছবি ভেসে উঠলেও আশা ছাড়ছেন না মহাজোটের কাণ্ডারীরা। ২৩ মে লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলে যদি ওই সমীক্ষার ফল না মেলে, তবে সেই পরিস্থিতিতে ঠিক কোন পথে এগোতে হবে তারই পরিকল্পনা করতে ব্যস্ত তাঁরা। এই আবহে সোমবার কলকাতায় পা রাখেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু। সূত্রের খবর, ৪৫ মিনিটের বৈঠকে মহাজোটের দল গুলির একজোট হয়ে থাকার উপরেই বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরে যাতে মহাজোটের কোনও দলকে বিজেপি ভাঙাতে না পারে সেবিষয়ে আলোচনা হয়েছে দুই সুপ্রিমোর মধ্যে।

এক্সিট পোলে অনেকটা বড় অংশের ভোট অন্যান্যদের খাতে দেওয়া হয়েছে। সেই অন্যান্যদের মধ্যে পড়ছে মহাজোটের একাধিক দল। যদি কর্নাটক বিধানসভার ফলাফলের মতো অবস্থা হয় তাহলে বিজেপি বৃহত্তম দল  হয়তো হবে নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাবে না। সেক্ষেত্রে কংগ্রেসের সরকার গড়ার জন্য এই মহাজোটের দলগুলির সহযোগিতা প্রয়োজন। বিজেপি যাতে কোনওভাবেই মহাজোট ভাঙতে না পারে সেকারণেই একজোট হয়ে থাকার উপরেই বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest