মোদী সরকার ‘ডুবন্ত জাহাজ’, ত্যাগ করেছে আরএসএসএসও! দাবি মায়াবতীর

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

#লখনউ: সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর স্ত্রীকে নিয়ে বিদ্রুপ করেছিলেন বিএসপি নেত্রী মায়াবতী। মঙ্গলবার ফের তিনি কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপিকে। উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এদিন টুইট করে বলেন, মোদীর সরকার হল ডুবন্ত জাহাজ। তার প্রমাণ হল, আরএসএস-ও তাকে ছেড়ে গিয়েছে।

অলওয়ার গণধর্ষণ নিয়ে নরেন্দ্র মোদী-মায়াবতীর বাগ‌্‌যুদ্ধ চরমে উঠেছিল। নরেন্দ্র মোদীর কটাক্ষ ছিল মায়াবতীর ‘কুমীরাশ্রু’। পাল্টা ইস্তফার দাবি তুলেছিলেন মায়াবতী। এ বার মোদী সরকারকে ‘ডুবন্ত জাহাজ’ বললেন মায়াবতী।

মঙ্গলবার হিন্দিতে বিএসপি সুপ্রিমো টুইট করেছেন, ‘‘মোদী সরকার ডুবন্ত জাহাজ। এটার প্রমাণ, আরএসএস সেই জাহাজ ছেড়ে দিয়েছে।’’ আম জনতার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা, বছরে দু’কোটি বেকার যুবক-যুবতীর চাকরির মতো বহু প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৪ সালে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল বিজেপি। কিন্তু রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, পাঁচ বছর দেশ চালানোর পর সেই প্রতিশ্রুতিরকার্যত কিছুই পূরণ হয়নি। এ দিন সেই প্রসঙ্গ তুলেই মায়াবতীর খোঁচা, ‘‘প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে না পারায় জনসাধারণ ক্ষুব্ধ। সেই ক্ষোভের আঁচ পেয়েই বিজেপির হয়ে প্রচারে কোথাও আরএসএস নেতা-কর্মীদের দেখা যাচ্ছে না। আর সেই কারণে মোদীও হতাশ।’’ আদর্শ প্রধানমন্ত্রী কেমন হবেন, সেই নিয়েও এ দিন নিজের মত প্রকাশ করেছেন উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘প্রকৃত প্রধানমন্ত্রী সে-ই, যিনি গণতন্ত্র মেনে দেশ চালাতে পারেন।’’ রাজনৈতিক শিবিরের ব্যাখ্যা, মোদী যে গণতন্ত্র মানছেন না, পরোক্ষে কার্যত সেই বার্তাই দিতে চেয়েছেন মায়াবতী।

মায়াবতী নিজে সাধারণত রোড শো করেন না। মন্দিরে পুজো দিতেও খুব একটা দেখা যায় না তাঁকে। কিন্তু অন্য অনেক নেতা-নেত্রীকেই ভোটের সময় মন্দিরে গিয়ে পুজো দিতে দেখা যায়। সোমবারও উজ্জয়নীতে মহাকাল মন্দিরে পুজো দিয়েছেন কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক প্রিয়ঙ্কা গান্ধী এবং মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ। ধারাবাহিক টুইটে নেতা-নেত্রীদের ভোটের সময় এই পুজো দেওয়ার হিড়িক নিয়েও সরব হয়েছেন বিএসপি সুপ্রিমো।তাঁর বক্তব্যের নির্যাস, এই সব পুজো-পাঠের খরচও প্রার্থীর ভোটের খরচের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত নির্বাচন কমিশনের। মায়াবতীর আর্জি, কোনও প্রার্থীকে যদি প্রচার করতে নিষেধ করা হয়, নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকার সময় তিনি যাতে মন্দিরে না যেতে পারেন, সেদিকেও নজর রাখা উচিত। এবার ‘উস্কানিমূলক’ প্রচারের দায়ে যে প্রার্থীদের কিছুদিন প্রচার করতে দেওয়া হয়নি, তাঁদের অন্যতম হলেন মায়াবতী।

তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে আরও একটি আর্জি জানিয়ে বলেছেন, প্রার্থীরা রোড শোয় বা মন্দিরে গিয়ে কত টাকা খরচ করছেন, সেদিকেও নজর রাখা উচিত। কারণ এই খরচও তাদের নির্বাচনের মোট ব্যয়ের অন্তর্গত।

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest