শিখ দাঙ্গা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, চরম ক্ষুব্ধ রাহুলের নির্দেশে ক্ষমা চাইলেন স্যাম পিত্রোদা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

#নয়াদিল্লি: ভোটের মাঝে কংগ্রেসের অস্বস্তি বাড়িয়েছেন একদা রাজীব গান্ধী ঘনিষ্ঠ কংগ্রেস নেতা তথা রাহুল গান্ধীর রাজনৈতিক মেন্টর স্যাম পিত্রোদা। শিখ দাঙ্গার মতো গণহত্যাকে যেভাবে ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছেন, তা নিন্দনীয়। ভোটের আগে এই মন্তব্য কংগ্রেসের অস্বস্তি বাড়াবে সন্দেহ নেই। তাই, পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে নিজে থেকেই এগিয়ে এলেন রাহুল গান্ধী। প্রকাশ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের রাজনৈতিক মেন্টরকে রীতিমতো ভর্ৎসনা করেছেন কংগ্রেস সভাপতি। সেই সঙ্গে স্যাম পিত্রোদাকে ক্ষমা চাওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি।

৩৫ বছর পরেও শিখ দাঙ্গার কালো দাগ এখনও মুছে ফেলতে পারেনি কংগ্রেস। সেই ঘটনার জন্য ইতিমধ্যেই পাঞ্জাববাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ডঃ মনমোহন সিং। ক্ষমা চেয়েছেন ইউপিএ চেয়ারপার্সন সনিয়া গান্ধীও। রাহুল নিজেও এ প্রসঙ্গে ক্ষমা চেয়েছেন। এদিন আরও একবার শিখ দাঙ্গায় আক্রান্তদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন কংগ্রেস সভাপতি। তিনি বলেন, “এই ঘটনায় সুবিচার হওয়া দরকার। যারা শিখ দাঙ্গার জন্য দায়ী তাদের শাস্তি পেতেই হবে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ডঃ মনমোহন সিং ক্ষমা চেয়েছেন, আমার মা সনিয়া গান্ধী ক্ষমা চেয়েছেন। আমরা অনেকদিন আগেই নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছি। এই ঘটনা খুবই দুঃখজনক এবং এমনটা হওয়া উচিত হয়নি।” রাহুল শুক্রবার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, স্যাম পিত্রোদা যা বলেছেন, তা আমাদের দলের অবস্থানের সম্পূর্ণ বিরোধী। আমরা তাঁর ওই মন্তব্য সমর্থন করি না। তাঁকে সেকথা জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। তাঁকে অবশ্যই ওই মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে।১৯৮৪-র দাঙ্গায় ৩ হাজার মানুষ মারা গিয়েছিলেন। ওই ঘটনাকে ‘ভয়ংকর ট্রাজেডি’ বলে উল্লেখ করেছেন রাহুল।

উল্লেখ্য, কংগ্রেস নেতার ‘হুয়া তো হুয়া’ মন্তব্যের পর কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানানো শুরু করেছে বিজেপি। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, হুয়া তো হুয়া মন্তব্য কংগ্রেসের ঔদ্ধত্যের পরিচয়। এটাই ওদের চরিত্র। আসলে পাঞ্জাবের ভোটের আগে কংগ্রেস নেতার এই বেফাঁস মন্তব্যকে হাতিয়ার করতে চাইছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, এই হল কংগ্রেসের চরিত্র আর মানসিকতার নমুনা। কংগ্রেস দীর্ঘকাল দেশ শাসন করেছে। তারা দেশের মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল নয়। বিজেপির দিল্লি শাখা দাবি জানায়, পুলিশকে স্যাম পিত্রোদার বিরুদ্ধে এফআইআর করতে হবে।বিজেপির অপর মন্ত্রী অরুণ জেটলির দাবি, পিত্রোদাকে কংগ্রেস থেকে তাড়িয়ে দেওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, পিত্রোদার মন্তব্যে বোঝা যায়, কংগ্রেস ওই দাঙ্গার জন্য একেবারেই অনুতপ্ত নয়।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest