হিন্দিকে জোর করে চাপানো হবে না, চাপের মুখে জাতীয় খসড়া শিক্ষা নীতিতে সংশোধন কেন্দ্রের

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

#নয়াদিল্লি: দেশ জুড়ে সমালোচনার মুখে পড়ে জাতীয় শিক্ষা নীতির খসড়া সংশোধন করল কেন্দ্রীয় সরকার। এর ফলে পড়ুয়াদের জন্য হিন্দি আর বাধ্যতামূলক রইল না। বরং শিক্ষাক্ষেত্রে নিজেদের পছন্দ মতো ভাষা বেছে নেওয়া যাবে।

সোমবার সকালে শিক্ষা নীতির খসড়া সংশোধন করে কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন খসড়া রিপোর্টে জানানো হয়েছে, পড়ুয়ারা তাদের ইচ্ছেমতো যে কোনো তিনটে ভাষা পড়তে পারবে। অর্থাৎ, নতুন রিপোর্টে হিন্দির কোনো উল্লেখই নেই। নতুন রিপোর্টে বলা হয়েছে, “পড়ুয়ারা ষষ্ঠ এবং সপ্তম শ্রেণিতে নিজেদের ইচ্ছেমতো ভাষা বদলে ফেলতে পারবেন। তবে যে কোনো তিনটে ভাষায় পারদর্শী হওয়া প্রয়োজন।” পুরোনো রিপোর্টে বলা হয়েছিল, আঞ্চলিক ভাষা ছাড়াও ইংরেজি এবং হিন্দি পড়তে হবে পড়ুয়াদের। এর পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। তবে প্রতিবাদ বিক্ষোভে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে তামিলনাড়ু। অহিন্দিভাষী রাজ্যগুলির ওপরে হিন্দি চাপিয়ে দেওয়া কোনো ভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে হুমকি দেন ডিএমকে নেতা স্টালিন। একই রকম সুর ছিল মরাঠা নেতা রাজ ঠাকরের গলাতেও।

এই জাতীয় খসড়া শিক্ষানীতি নিয়ে দেশের সর্বত্র, বিশেষ করে দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। তাতে শামিল হয় এনডিএ-র শরিক এডিএমকে এবং পিএমকেও। অ-হিন্দিভাষী রাজ্যগুলির উপর জোর করে হিন্দি চাপিয়ে দিলে দেশের বহুত্ববাদী চিন্তাধারায় আঘাত লাগবে বলে জানায় তারা। তামিলনাড়ুতে শুধুমাত্র তামিল এবং ইংরেজি শেখানো হবে বলে জানিয়ে দেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী কেএ সেঙ্গোত্তাইয়ান। বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ই পলানীস্বামী।প্রতিবাদে সরব হন বাংলার বিশিষ্ট মহলও। চাপের মুখে পড়ে তখন সাফাই দিতে হয় কেন্দ্রকে। কেন্দ্রের দুই তামিল মন্ত্রী নির্মলা সীতারমন এবং এস জয়শঙ্কর জানিয়ে দেন, এটা শুধুমাত্র খসড়া রিপোর্ট। পর্যালোচনা না করে কোনো ভাবেই এটা বলবৎ করা হবে না।

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest