২০০০ টাকার নোট আর মিলবে না এটিএম থেকে! বাতিল হচ্ছে কি ? প্রশ্ন জনমানসে

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

ওয়েবডেস্ক: দেশজুড়ে এটিএম-এ বড় বদল আসছে। আর থাকবে না ২০০০ টাকার নোটের ক্যাসেট। তার বদলে বাড়বে ৫০০ টাকার নোট। এখন এটিএম-এ চারটি নোটের ক্যাসেট বা ট্রে থাকে। এর মধ্যে একটি থাকে ২০০০ টাকার নোটের। সেই ট্রে বা ক্যাসেটটাই বদলে যাবে। সেখানে বসবে ৫০০ টাকার নোটের মাপের ক্যাসেট। নোটবাতিলের পরে যখন নতুন ২০০০ টাকা এল তখন সেই মাপের নতুন ট্রে বসানো হয় সব এটিএমে। এবার সেগুলি ফের বদলে ফেলা হচ্ছে। এনিয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এখনও কোনও ঘোষণা না করলেও মনে করা হচ্ছে, ধীরে ধীরে ২০০০ টাকার নোটের জোগান কমানোরই অন্যতম পদক্ষেপ এটা।

ইতিমধ্যেই সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কের এটিএমে এই ব্যবস্থা চালু হয়ে গিয়েছে। আগামী ১ মার্চ থেকে ওই ব্যাঙ্কের কোনও এটিএম থেকেই গোলাপি নোট আর মিলবে না। বাকি ব্যাঙ্কও কাজ শুরু করেছে বলে খবর।ইন্ডিয়ান ব্যাংকের এটিএম থেকে আর ২০০০ টাকার নোট পাওয়া যাবে না। বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই কথা গ্রাহকদের জানিয়ে দিয়েছে চেন্নাইয়ের এই ব্যাংক। ইন্ডিয়ান ব্যাংক জানিয়েছে তাদের এটিএম-এ ২০০০ টাকার নোট রাখা বন্ধ করে এবার থেকে বেশি পরিমাণে ২০০ টাকার নোট রাখা হবে। গ্রাহকদের সুবিধের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ।

এমনিতেই এখন এই নোটের জোগান কমেছে। অনেকেই গোলাপি নোটকে ভয় পাচ্ছেন। কেউ কেউ তো নিতেই চাইছেন না। হঠাৎ করেই এই নোটের জোগান কম হয়ে যাওয়ায় অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, ফের বুঝি বাতিল হবে সবচেয়ে বড় নোট।

গত কয়েকদিন ধরেই সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হতে শুরু করেছিল এটিএম গুলিতে বেশি করে ৫০০ টাকার নোট দেওয়া হচ্ছে এবং ২০০০ টাকার নোট কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ২০০০ টাকার নোট তুলে নেওয়ার জন্যই বেশি ৫০০ টাকার নোট বাজারে ছাড়তে চাইছে মোদী সরকার। কিন্তু সেখবর সত্যি নয় বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। এবং ২০০০ টাকার নোট বাজার থেকে তুলে নেওয়ারও কোনও পরিকল্পনা নেই সরকারের।

আরও পড়ুন: মার্চে ১১ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্ক, গ্রাহকের চরম ভোগান্তির আশঙ্কা

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ করেছিল মোদী সরকার। ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট বাতিলের কথা ঘোষণা করা হয়। তারপরেই নতুন ২০০০ টাকার নোট বাজারে আসে। হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল সাধারণ মানুষকে। দীর্ঘক্ষণ এটিএমের লাইনে দাঁড়াতে হয়েছিল সকলকে। এই নিয়ে রাজনৈতিক পারদও চড়েছিল। মোদী সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছিলেন বিরোধীরা। যে কারণে নোট বাতিল করা হয়েছিল সেই উদ্দেশ্য পূরণ হয়েছে কিনা তা এখনও প্রকাশ করেনি মোদী সরকার। দাবি করা হয়েছিল জাল নোট বন্ধ করতেই এই পদক্ষেপ করা হয়। কিন্তু দেখা গিয়েছে মোদীর গুজরাটেই সবথেকে বেশি ২০০০ টাকার জাল নোট ছড়িয়েছে। সেখান থেকেই গোটা দেশে ২০০০ টাকার জাল নোট ছড়িয়ে পড়েছে।

 

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest