Listen to the creepy ghost story 'Raat Barota'

Audio Book: শুনুন গা ছমছমে ভূতের গল্প ‘রাত বারোটা’

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

জীবন এবং মৃত্যু, ড্রয়িং-রুম ও ফুটপাথ, বৈভব ও দারিদ্র্য, জাগতিক কামনা-বাসনা এবং বৈরাগ্য সব কিছুকেই এক কলমে ধরার হিম্মত বাংলা সাহিত্যে যাঁরা দেখাতে পেরেছেন, তাঁদের অন্যতম অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত। একেবারে ভিন্ন দুই জগৎ, দু’রকম ভাবনা, নিজের লেখার ভিতরে ধারণ করতে পারতেন তিনি। আর এই দুর্লভ গুণই তাঁকে করে তুলেছিল স্বতন্ত্র।

তা নইলে, রবীন্দ্রনাথ যাঁকে একটি চিঠিতে লিখছেন, “তোমার কল্পনার প্রশস্ত ক্ষেত্র ও অজস্র বৈচিত্র্য দেখে আমি মনে মনে তোমার প্রশংসা করেছি । সেই কারণেই দুঃখবোধ করেছি যে, কোনো কোনো বিষয়ে তোমার পৌনপুন্য আছে, বুঝতে পারি সেইখানে তোমার মনের বন্ধন। সে হচ্ছে মিথুন প্রবৃত্তি।”, তাঁকেই আবার আমবাঙালি চিনবে ঠাকুর শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণের মহাজীবনের আখ্যানকার হিসেবে। চালু হয়ে যাবে একটি লব্জ “ঠাকুর তোমায় কে চিনত যদি না চেনাত অচিন্ত্য”। তাই বলাই যায়, একইসঙ্গে ধর্ম এবং কাম, পাশ্চাত্য এবং প্রাচ্য, কবিতা এবং গদ্যে নিজেকে প্রকাশ করার বিরল ক্ষমতাই অচিন্ত্যকুমারকে স্মরণীয় করে রেখেছে।

ছোটগল্প সম্পর্কে অচিন্ত্যকুমার বলেছিলেন, “ছোটগল্প লেখবার আগে চাই ছোটগল্পের শেষ। কোথায় সে বাঁক নেবে কোন কোণে … শেষ না পেলে ছোটগল্পে আমি বসতেই পারব না। শুধু ঘটনা যথেষ্ট নয়, শুধু চরিত্র যথেষ্ট নয়। চাই সমাপ্তির সম্পূর্ণতা…’

লেখকের এই ভাবনা তাঁর গল্পের মধ্যেও লক্ষ করা যায়। গল্পের উপস্থাপনা ও অগ্রগতির পাশাপাশি এমন শিল্পসম্মত সমাপ্তি খুব বেশি চোখে পড়ে না। এই গুণের জন্যই হয়তো অচিন্ত্যকুমারকে আর্নেস্ট হেমিংওয়ের সঙ্গে তুলনা করেছেন বিষ্ণু দে।

আরও পড়ুন: Audio Book: মন খারাপ? শুনুন, তারাপদ রায়ের লেখা এই মজার গল্প

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest