জগদীপ ধনখড়কে নৈ-রাজ্যপাল বলে কটাক্ষ ব্রাত্য বসুর,পাল্টা দিলেন লকেট

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

উত্তর ২৪ পরগনার বারাকপুরে আজ গান্ধী স্মৃতি স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার পরে সাংবাদিকদের জগদীপ ধনখড় জানান এ রাজ্যে সরকারি আধিকারিকরা রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছে। তবে সাংবাদিকরা অবশ্য তাঁকে সৌজন্য বসত জিজ্ঞাসা করেনি যে তিনি কাদের হয়ে কাজ করছেন।

রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু অবশ্য রাজ্যপালের মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি জগদীপ ধনখড়কে ‘নৈ-রাজ্যপাল’ বলে কাটক্ষ করেছেন। ঘটনাস্থলে, ব্রাত্য বসুর থেকে ১০ ফুট দূরে দাঁড়িয়ে মুখ্যসচীব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় এর সঙ্গে কথা বলছিলেন রাজ্যপাল।

আরও পড়ুন : নারী নিরাপত্তার করুণ ছবি! দেশে প্রতি ১৬ মিনিটে ধর্ষিতা হন এক মহিলা, প্রতি ১ ঘণ্টায় পণপ্রথা সংক্রান্ত অত্যাচারে মৃত্যু

করোনা পরিস্থিতিতে দর্শকদের প্রবেশ এদিন নিষিদ্ধ ছিল গান্ধীঘাটে। রাজ্যপাল এদিন সাংবাদিকদের বলেন, “মহাত্মা গান্ধী অহিংসা আন্দোলনে বিশ্বাসী ছিলেন, সকলে মিলে তাঁকে মর্যাদা দিতে হবে। দেশে কোনও নির্বাচনের আগে যেভাবে হিংসা ছড়িয়ে পড়ে তা গণতন্ত্রের পক্ষে মঙ্গল জনক নয়।” তিনি আরও বলেন, “এ রাজ্যে সরকার সংবিধানকে অবহেলা করছে। রাজ্যপালকেও অপমান করা হচ্ছে।’

ব্রাত্য বসুর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ার লকেট বলেন, তৃণমূল এর বিদায় ঘণ্টা বেজে যাওয়াতে তাদের এমন মন্তব্য। এই আচরণ অসাংবিধানিক। মানুষ রাজ্যপালের পাশে আছেন, মন্তব্য বিজেপি নেত্রীর।

শুক্রবার পুরুলিয়ার হুড়ায় কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন কৃষি আইনের পক্ষে কৃষকদের মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন লকেট। এদিন তিনি বলেন,  বিজেপি এ রাজ্যে ক্ষমতায় এলে তৃণমূল সরকারের আলু দুর্নীতির তদন্ত হবে। কৃষকদের টাকা নিজেদের পকেটে পুরেছে তৃণমূল নেতারা।

আরও পড়ুন : তৃণমূলকেও বাধা,মমতাবালার ব্লাউজ ধরে টানার অভিযোগ, ডেরেককে ফেলে দিল যোগীর পুলিশ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest