BREAKING: ৩৭০ ও ৩৫এ ধারা রদ কেন্দ্রের, লাদাখ ও জম্মু-কাশ্মীর দু’টি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

#নয়াদিল্লি: জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের। বিতর্কিত ৩৭০ ধারা বাতিল করতে সংসদে প্রস্তাব পেশ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সংসদের অনুমোদনের পরই রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এই প্রস্তাবে সই করেছেন। রাষ্ট্রপতির সইয়ের সঙ্গে সঙ্গেই কাশ্মীরকে বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া ৩৭০ ধারা বিলুপ্ত হল। স্বাভাবিক ভাবেই এই ধারার অধীনে ৩৫এ ধারারও বিলুপ্তি ঘটল।

সোমবার, তুমুল জল্পনার শেষে রাজ্যসভায় বিতর্কিত ৩৭০ ও ৩৫এ ধারা বাতিল করার প্রস্তাব করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী। কার্যত দু’ভাগে ভাগ করা হচ্ছে জম্মু-কাশ্মীরকে। লাদাখকে  কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হচ্ছে। জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে আর একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হচ্ছে। লাদাখে কোনও বিধানসভা থাকবে না। জম্মু-কাশ্মীরে থাকবে। সেখানে প্রশাসনের শীর্ষে থাকবেন একজন লেফটেন্যান্ট গভর্নর।বিরোধীদের হল্লায় রাজ্যসভার অধিবেশন বাতিল হয়ে যায় কিছুক্ষণের জন্য। পরে ফের অধিবেশন বসেছে। বিরোধীরা একযোগে সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। তারই মধ্যে কোনরকমে বিবৃতি পাঠ করেন অমিত।

এদিন  সাতসকালেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ একান্তে আলোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারপর কথা বললেন নিরাপত্তা বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটির সঙ্গেও। সবশেষে শুরু হয় মন্ত্রিসভার বৈঠক। ফলে বড়সড় কিছু হতে চলেছে তার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল

গতকালই জরুরি ভিত্তিতে মন্ত্রিসভার বৈঠক ডাকেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মন্ত্রীদের বলা হয় সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে হবে বৈঠক। সেইমতো মন্ত্রীরাও আসেন সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ। কিন্তু, ততক্ষণে প্রধানমন্ত্রীর কার্যকলাপ শুরু হয়ে গিয়েছে। একান্তে তিনি দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ’র সঙ্গে। প্রায় ১ ঘণ্টা বৈঠক হয়েছে সরকারের নম্বর ১ ও নম্বর ২-এর মধ্যে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার পরই নিরাপত্তা বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেছেন মোদি। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ।

গত এক সপ্তাহে কাশ্মীরে ৩৮ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে কেন্দ্র। রবিবার মধ্যরাতে কাশ্মীরের নেতারা গৃহবন্দি হয়েছেন। কাশ্মীর উপত্যকার নানা জায়গায় কার্ফু জারি করা হয়েছে। বন্ধ রয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। কাশ্মীরে অনেকেই ভেবেছিলেন, সরকার ৩৭০ ধারা ও ৩৫ এ ধারা বাতিল করতে চায়। কাশ্মীরে তার সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়ার কথা ভেবেই আগেভাগে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

অন্যদিকে, আশঙ্কার প্রহর গুণছে জম্মু ও কাশ্মীর। উপত্যকার অধিকাংশ এলাকায় জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। রবিবার রাতে গৃহবন্দি হয়েছেন কাশ্মীরের বহু রাজনৈতিক নেতা। বন্ধ রয়েছে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়। মোবাইলের ইন্টারনেট পরিষেবাও বন্ধ রাখা হয়েছে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest