পুলিশের বাড়াবাড়িতে নষ্ট ১৫ হাজার লিটার দুধ, ১০ হাজার কেজি সবজি- অভিযোগ ই-কমার্স সংস্থাগুলির

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

নয়াদিল্লি: লকডাউনের সময় ই-কমার্স সংস্থাগুলির  অভিযোগ, ওষুধ, খাবার, মুদি সামগ্রী ডেলিভারি করতে গিয়ে হেনস্থা ও মারধরের সম্মুখীন হতে হচ্ছে তাদের কর্মীদের। এই ধরনের অনভিপ্রেত সমস্যায় পড়ার পর হস্তক্ষেপের জন্য সরকারের কাছে আর্জি জানাচ্ছে সংস্থাগুলি।

আরও পড়ুন: করোনা মোকাবিলায় ত্রাণ তহবিলে সাহায্য চাইলেন মমতা, অত্যাবশকীয় পণ্য আটকালে কড়া ব্যবস্থা

‘বিগ বাস্কেট’, ‘ফ্রেশ মেনু’ ও ‘পোরটি মেডিক্যাল’-এর মতো অনলাইন প্ল্যাটফর্মের প্রোমোটার কে গণেশ জানাচ্ছেন, গত কয়েক দিন ধরে পুলিশ কর্মী তাঁদের ডেলিভারি এজেন্টদের হেনস্থা করছেন, নিগ্রহ করছেন এমনকী একটি ক্ষেত্রে তো গ্রেফতার পর্যন্ত করেছেন।তিনি বলেন, সরকার একেবারে সঠিক পদক্ষেপ করেছে ঠিকই। কিন্তু মুদি, খাবার, ওষুধ ইত্যাদি অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার যে অনুমতি দেওয়া হয়েছে অনলাইন ডেলিভারি সংস্থাগুলিকে, তা নীচের স্তরে পৌঁছয়নি।

পুলিশের সমালোচনা করে কে গণেশ বলেন, “তারা জানে না, অত্যাবশ্যকীয় পণ্য পরিবহণে বাধা দেওয়া যায় না। অনেক ক্ষেত্রে তারা খারাপ ব্যবহার করছে। মারধর করছে। কেরলে আমাদের এক স্বাস্থ্যকর্মী জনৈক রোগীর বাড়িতে যাচ্ছিলেন। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।” তাঁর আর্জি, ‘‘এই মানুষগুলি নিজেদের জীবন বিপন্ন করছেন, এঁদের মারধর করবেন না। যদি অন্যরা পালিয়ে যায়, তাঁদের সহকর্মীদের মারধর করা হচ্ছে বলে তাহলে আমরা কিছু করতে পারব ‌না। যাঁরা প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও পরিষেবা দিতে যাচ্ছেন তাঁদের মারবেন না।”

আরও পড়ুন: গোলাপ ছড়ানো বাথটবে বসে করোনা মোকাবিলার বার্তা, নেটিজেনদের কটাক্ষের শিকার ম্যাডোনা

মুদির দোকানে পণ্য সরবরাহকারী সংস্থা গ্রোফারস এবং মাংস সরবরাহকারী সংস্থা ফ্রেশটুহোম একই অভিযোগ করেছে। তাদের বক্তব্য, লকডাউন করতে গিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহে বাধা দেওয়া হচ্ছে। খদ্দেরদের প্রতি এক মেসেজে মিল্কবাস্কেট সংস্থা জানিয়েছে, তারা ১৫ হাজার লিটার দুধ ও ১০ হাজার কেজি ভেজিটেবিল ফেলে দিতে বাধ্য হয়েছে। লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে তারা গুরগাঁও, নয়ডা ও হায়দরাবাদে পণ্য সরবরাহ করতে পারেনি।

দিল্লির পিৎজা ডেলিভারি চেইন ‘বেকিং ব্যাড’-এর প্রতিষ্ঠাতা অর্জুন জওসওয়াল তাঁদের টু-হুইলারে করে ডেলিভারি করতে যাওয়া কর্মীদেরও পুলিশের পাল্লায় পড়তে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘দক্ষিণ দিল্লির কৈলাশ অঞ্চলে বাইক আরোহী ডেলিভারি কর্মীদের লাঠিচার্জ করছে পুলিশ। নয়ডায় তো প্রমাণ দেখাতে ফোন বার করা হলে সেটাও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। একেবারেই অরাজক অবস্থা।”

আরও পড়ুন: ‘ঘরে থাকুন’, করোনা সতর্কবার্তা এবার আকাশে লিখে দিলেন পাইলট!

এদিন সামনে এসেছে খাবার ডেলিভারি সংস্থা জামাটোর এক ডেলিভারি বয়কে মারধরের ছবি। এই ধরনের কথা জানার পর কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে জানানো হয়, তারা বিষয়টি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে চলেছে এবং ডেলিভারিতে যেন কোনও সমস্যা না হয় তা নিশ্চিত করা হবে। এই পরিস্থিতিতে বুধবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, ‘‘আমরা সবজি-বিক্রেতাদের ই-পাস দিয়ে দেব। অন্যদেরও দেব, যারা লকডাউনের সময় পরিষেবা দিচ্ছে।”

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest