মাধ্যমিকে নম্বরে গরমিল হলে স্কুলের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

মূল্যায়নের ভিত্তিতে মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলে নম্বরের গরমিল হলে স্কুলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। শনিবার পর্ষদ জানিয়েছে, পড়ুয়াদের নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও গরমিল ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট স্কুলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।‘নবমের বিষয় ভিত্তিক নম্বর জমা দিতে হবে ২৪ জুনের মধ্যে। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ২১ জুন থেকে নম্বর জমা দেওয়া যাবে। সেই নম্বরে গরমিল হলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে,’ হুঁশিয়ারি পর্ষদের। প্রয়োজনে নম্বরের রেজিস্ট্রার খাতা চাইতে পারে বলে জানিয়েছে পর্ষদ। ২৩ জুনের মধ্যে স্কুলগুলিকে পরীক্ষার নম্বর জমা দিতে হবে। সবাই সহযোগিতা করলে জুলাইয়ের মধ্যে রেজাল্ট প্রকাশ করা যাবে বলে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: জ্ঞানেশ্বরী কাণ্ডে ‘মৃত’ যাত্রী এখনও জীবিত, ক্ষতিপূরণ-চাকরি বাগিয়ে বিপাকে কলকাতার পরিবার

করোনা পরিস্থিতিতে পড়ুয়াদের স্বাস্থ্যসুরক্ষায় চলতি বছরের মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা বাতিল করেছে রাজ্য সরকার। তবে জুলাই মাসের মধ্যে মূল্যায়নের ভিত্তিতে পড়ুয়াদের ওই দুই পরীক্ষার ফলপ্রকাশ করা হবে। শুক্রবার সেই মূল্যায়ন পদ্ধতির কাঠামোও জানিয়ে দিয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। তবে মূল্যায়নের সময় নম্বর নিয়ে যাতে কোনও রকমের দুর্নীতি না হয়, সে দিকে কড়া নজর রাখার কথা শনিবার পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছে।

বাতিল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার মূল্যায়ন কীভাবে করা হবে, তা গতকাল জানিয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। একযোগে সাংবাদিক বৈঠকে পর্ষদ ও সংসদের পক্ষ থেকে মূল্যায়নের পদ্ধতি জানানো হয়েছে। নবমের মার্কশিট, দশমের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের ভিত্তিতে মাধ্যমিকের ফলাফল নির্ধারণ করা হবে। ৫০-৫০ শতাংশ হারে ২০২১-এর মাধ্যমিকের মার্কশিট দেওয়া হবে। নবম শ্রেণির মার্কশিট ও দশম শ্রেণির অভ্যন্তরীন মূল্যায়নকে সমান গুরুত্ব দিয়ে মার্কশিট দেওয়া হবে। এই মূল্যায়নে কোনও পরীক্ষার্থী সন্তুষ্ট না হলে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর নতুন করে বসা যাবে পরীক্ষায়। কেউ পরীক্ষায় বসলে, সেই পরীক্ষার রেজাল্টই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। এমনই জানিয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।

উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার মূল্যায়নের পদ্ধতিও জানিয়েছে শিক্ষা সংসদ। সাংবাদিক বৈঠকে জানানো হয়েছে,  ২০১৯-এর মাধ্যমিকের ৪টি বিষয়ের সর্বোচ্চ নম্বরের ৪০ শতাংশ, ২০২০-র একাদশের বার্ষিক পরীক্ষার ৬০ শতাংশ নম্বর, সেই সঙ্গে  দ্বাদশের প্রজেক্ট-প্র্যাক্টিক্যালের নম্বর যুক্ত করে উচ্চমাধ্যমিকের মূল্যায়ন হবে। আরও জানানো হয়েছে, দ্বাদশের প্রজেক্টের ২০ নম্বর, প্র্যাক্টিক্যালের ৩০ নম্বর ধরে মূল্যায়ন হবে। মাধ্যমিকের মতো উচ্চমাধ্যমিকের ক্ষেত্রেও কোনও পরীক্ষার্থী মূল্যায়নে সন্তুষ্ট না হলে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর বসা যাবে পরীক্ষায়। কেউ পরীক্ষায় বসলে, সেই পরীক্ষার রেজাল্টই চূড়ান্ত বিবেচিত হবে বলে জানিয়েছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।

আরও পড়ুন: শুভশ্রীর দিদির সঙ্গে ‘প্রতারণা’, বিয়ের দু’ মাসের মাথায় গ্রেফতার রাজ চক্রবর্তীর শ্যালিকার স্বামী

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest