মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক বাতিলের সুপারিশ বিশেষজ্ঞ কমিটির, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নবান্ন

বিশেষজ্ঞদের রিপোর্টে বলা হয়েছে, করোনা আবহে পড়ুয়াদের স্কুলে গিয়ে পরীক্ষা দেওয়া বাস্তবসম্মত নয়।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

সিবিএসই এবং আইসিএসই ও আইএসসি পরীক্ষা এ বছরের জন্য বাতিল করার ঘোষণা ইতিমধ্যেই হয়েছে। বাংলায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ক্ষেত্রেও সম্ভবত পৃথক ফল হবে না। সরকার গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি যে রিপোর্ট চূড়ান্ত করেছে তাতে বলা হয়েছে, এই মুহূর্তে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয়। তবে পরীক্ষা না হলেও ছাত্রছাত্রীদের মূল্যায়ন কীভাবে হবে তা নিয়ে একাধিক সুপারিশ থাকতে পারে কমিটির রিপোর্টে।

শিক্ষা সূত্রের খবর: বিশেষজ্ঞদের রিপোর্টে বলা হয়েছে, করোনা আবহে পড়ুয়াদের স্কুলে গিয়ে পরীক্ষা দেওয়া বাস্তবসম্মত নয়। সবটাই সুপারিশের আকারে পেশ করা হয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য সরকারই।

জীবনের প্রথম দু’টি বড় পরীক্ষা বাতিলের সুপারিশের পাশাপাশি ওই দুই স্তরের ছাত্রছাত্রীদের মূল্যায়ন কী ভাবে হবে, তার সম্ভাব্য পন্থা-পদ্ধতিও জানিয়েছে বিশেষজ্ঞ কমিটি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর: বিশেষজ্ঞ কমিটির মতে, উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে হোম অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে মূল্যায়ন হতে পারে। এর সঙ্গে থাকবে ল্যাবরেটরি-ভিত্তিক বিষয়ে ৩০ নম্বর এবং ‘নন-ল্যাব’ বিষয়গুলির ২০ নম্বরের প্রজেক্টে ছাত্রছাত্রীদের প্রাপ্ত নম্বর। স্কুলের মাধ্যমে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের কাছে ইতিমধ্যেই সেই নম্বর জমা পড়েছে। কমিটি চাইছে, পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ওই সব নম্বরকে গুরুত্ব দেওয়া হোক।

আরও পড়ুন: গ্র্যাজুয়েট? ম্যানেজার পদে বাংলা ভাষায় দক্ষ ব্যক্তি খুঁজছে Facebook, জানুন আবেদন তথ্য

বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী, মাধ্যমিকের ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীদের নবম শ্রেণির বার্ষিক অথবা প্রথম সামেটিভ, ষাণ্মাসিক ও বার্ষিক পরীক্ষার নম্বরের গড় কষে নম্বর দেওয়া যেতে পারে। সেই সঙ্গে মাধ্যমিকের ১০ নম্বরের অন্তর্বর্তী প্রস্তুতিকালীন মূল্যায়নকেও গুরুত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

তিমারি নিয়ন্ত্রণে ভ্যাকসিন দেওয়ার যে-কর্মকাণ্ড চলছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা সরকারি ভাবে এখনও তার আওতায় আসেননি। ওই দুই স্তরে মোট ২১ লক্ষ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৮ বছরের বেশি বয়সি পড়ুয়ার সংখ্যা খুবই কম। ভ্যাকসিন না-দিয়ে স্কুলে হাজির হয়ে পরীক্ষা দিতে বলা বাস্তবসম্মত নয় বলেই মনে করছে কমিটি। কারণ, অল্পবয়সিদের মধ্যে করোনা সংক্রমণের হার বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা দিয়েছে। এই সমস্ত দিক বিচার-বিবেচনা করে বিশেষজ্ঞ কমিটি সশরীরে পরীক্ষা নেওয়া বাস্তবসম্মত নয় বলে রিপোর্টে জানিয়েছে।

আরও পড়ুন: Govt jobs: ইন্টারভিউ দিয়েই সরকারি হাসপাতালে চাকরি, বেতন ১৭,০০০ টাকা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest