মলদ্বীপে ছুটিতে অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা, কেন ‘চক্ষু ছানাবড়া’ হল এই তারকা জুটির?

মলদ্বীপে আর মজা খুঁজে পাচ্ছেন না অঙ্কুশ। এক নিমেষে নীল-জল-সমুদ্র ম্যাজিক হাওয়া। অঙ্কুশের মুখ থেকে হাসি উধাও হয়ে গেল কেন?
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

রাজা চন্দের ছবি ‘ম্যাজিক’ পর্দায় ম্যাজিক দেখিয়েছে। লকডাউন ওঠার পর প্রথম বাংলা ছবি সিঙ্গল স্ক্রিন, মাল্টিপ্লেক্স সহ সর্বত্র ভাল ব্যবসা করেছে। হাউজফুল বোর্ডও ঝুলতে দেখা গিয়েছে সিনেমা হলের বাইরে, আনন্দবাজার ডিজিটালকে জানিয়েছিলেন অঙ্কুশ হাজরা। এই ছবিতে তিনি প্রথম জুটি বেঁধেছেন রিল লাইফ প্রেমিকা ঐন্দ্রিলা সেনের সঙ্গে। প্রথম ছবিতেই জুটির হিট রসায়ন। এর পরেও উদযাপন হবে না?

কিন্তু হায়! খুশির তাল কেটেছে। মলদ্বীপে আর মজা খুঁজে পাচ্ছেন না অঙ্কুশ। এক নিমেষে নীল-জল-সমুদ্র ম্যাজিক হাওয়া। উল্টে অঙ্কুশের ‘চক্ষু ছানাবড়া’ হওয়ার জোগাড়! কী এমন ঘটল? অঙ্কুশের মুখ থেকে হাসি উধাও হয়ে গেল কেন?

এক গ্লাস লেবুর সরবত! সমস্ত খুশির পালে জল ঢেলে দিল। মাথায় প্রায় বাজ ভেঙে পড়েছে ‘ম্যাজিক’-এর এই ম্যাজিশিয়ানের। আর যে কোনও ম্যাজিকই কাজ করছে না! করবেই বা কী করে! এক গ্লাস লেবুর সরবতের দাম দেখেই অঙ্কুশের ‘চক্ষু ছানাবড়া’। কত দাম জানেন? এক গ্লাস লেবুর সরবতের দাম ১০০০টাকা! আর তা দেখেই ভিরমি খাওয়ার জোগাড় অভিনেতার।

আরও পড়ুন: ফের তারকা যোগ! তৃণমূলে যোগ দিলেন তৃনীল জুটি

সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ‘মহার্ঘ’ লেবুর সরবতের ছবি দিয়ে ‘চক্ষু ছানাবড়া’ করে অঙ্কুশ লিখেছেন, “যখন বিল এল,দেখলাম এক গ্লাস লেবুর সরবতের দাম নিয়েছে ভারতীয় মূল্যে ১০০০টাকা! আমি তো সরবতের মধ্যে খুব করে হিরে খোঁজার চেষ্টা করলাম। কেন জানি না মা-কে খুব মিস করতে শুরু করলাম।” এরপর মজা করে অভিনেতা কাতর কন্ঠে মা-কে ডেকে লিখেছেন, “ও মা গোওওওও”।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Ankush (@ankush.official)

সুযোগ পেলেই নিজেকে নিয়ে রসিকতায় মাতেন অঙ্কুশ। অনুরাগীরা উপভোগও করেন। এ বারেও অঙ্কুশের পোস্টের লাইক সংখ্যা ২৭ হাজার। সরবতের দাম জানানোর পাশাপাশি হোটেলের প্রশংসা করতেও ভোলেননি অভিনেতা। হোটেলে তাঁদের ঘরের ভিডিয়ো তুলে শেয়ার করেছেন অনুরাগীদের সঙ্গে।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Ankush (@ankush.official)


ক্লিপে দেখা গিয়েছে, বিশাল ঘরে ধপধপে বিছানা। চাদরে লেখা স্বাগত! দরজা খুললেই সামনে অনন্ত সমুদ্র। পুরো হোটেলটাই সমুদ্রের বুকে ভাসমান। সেই জল ঢেউ তুলেছে হোটেলের ডেকেও। জলের উপরে পুরু নেট। যেখানে আরাম করে শুয়ে পড়লেই মাথার উপর খোলা আকাশ।

ক্যাপশনে আবারও ফুটে উঠেছে অঙ্কুশের মনের কথা, ‘স্বর্গ এখানেই!’

আরও পড়ুন: কুত্তি মহব্বত! ইমরান হাশমির ‘লুট গায়ে’ গানের মানে খুঁজছে নেট নাগরিকরা

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest