‘হাতির খুনিদের শাস্তি দিলেই হবে না, জনসচেতনতা বাড়ান’, কেরলের মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রীকে খোলা চিঠি মিমির

কলকাতা: কেরলের গর্ভবতী হাতিকে যেভাবে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। তাতে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন গোটা দেশের বহু মানুষ। সরব হয়েছেন তারকারাও। এই ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে সাংসদ, অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীকেও। সোশ্যাল মিডিয়ায় কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন ও কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর-কে খোলা চিঠি লিখেছেন মিমি। যেখানো দোষীদের শাস্তি দেওয়ার পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধির আবেদনও করেছেন সাংসদ, অভিনেত্রী।

মিমি চক্রবর্তী লিখেছেন, “বিস্ফোরকে ঠাসা আনারস খেয়ে কেরলের পালাক্কর জেলায় যে গর্ভবতী হাতির মৃত্যু হয়েছে, সেই ঘটনায় দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের মতো আমিও মর্মাহত। ভারতীয় নাগরিক এবং একজন পশুপ্রেমী হিসেবে লজ্জায় আমার মাথা হেঁট হয়ে যাচ্ছে। যদিও আমি জানি কেরল সরকার এই নিন্দনীয় ঘটনায় বিরুদ্ধে যথাযোগ্য ব্যবস্থা নেবেন। গতমাসেও একটি হাতির উপর অকথ্য অত্যাচার হয়ে চোয়াল ভেঙে তার মৃত্যু হয়েছে। কেরলে দীর্ঘদিন ধরেই এমন ঘটনা ঘটছে।”

আরও পড়ুন: Forbes 2020: হায়েস্ট পেড তারকাদের তালিকায় একমাত্র ভারতীয় অক্ষয় কুমার

“কেবল হাতি না, পথের কুকুর-বিড়ালদেরকেও একইভাবে নির্মমতার সঙ্গে হত্যা করা হচ্ছে ওই অঞ্চলে। কুকুরদের পিটিয়ে খুন করা হয়, বিড়ালকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে মেরে ফেলা হয়। এছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে মন্দিরে হাতিদের বেঁধে রাখার একটা চলও রয়েছে। তাই শুধুমাত্র এই গর্ভবতী হাতির হত্যাকারীদের সাজা দিলেই সমস্যা মিটবে না! প্রয়োজন গ্রামবাসীদের মধ্যে যথাযথ সচেতনা বৃদ্ধি করা”, মত মিমির।

সাংসদের কথায়, “১৯৬০ সালের পশু সুরক্ষা আইন এবং ১৯৭২ সালের ওয়াইল্ডলাইফ প্রোটেকশন অ্যাক্টের পরও যখন বন্যপ্রাণীদের উপর এই নির্মমতার পরিসংখ্যান হ্রাস করা যায়নি, তখন জনগণকে আরও সচেতন করে তোলা উচিত। যেসব অঞ্চলে বন্যপ্রাণীদের প্রতি এই রকম নির্মমতা হচ্ছে, সেখানে সবার আগে উচিত মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন করার চেষ্টা করা। প্রয়োজন হলে তাঁদের সঠিক ভাবে বোঝাতে হবে।” শিশুদের পাঠ্যবইতে ‘নেচার স্টাডি’ বিষয়টির সংযোজনের কথাও নিজের খোলা চিঠিতে লেখেন তৃণমূল সাংসদ এবং অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী।

আরও পড়ুন: মার্কিন বর্ণবিদ্বেষে সরব অথচ পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে নীরব! বলিউড তারকাদের ‘দুমুখো’ কটাক্ষ অভয় দেওলের

Gmail