করোনা-আমপান পরিস্থিতিতে মিমি-নুসরত কে কাকে টেক্কা দিল,দেখে নিন চোখ চালিয়ে

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

কলকাতা: করোনা-আমপানে দিশেহারা বাংলা। এমন একটা সময় যে সেইভাবে পথে নামতেও পারছেন না নেতা -নেত্রীরা। আমপান এবং করোনা পরিস্থিতি কিভাবে হ্যান্ডেল করলেন সাংসদ মিমি এবং নুসরত। দেখে নিন।

১. ২৯ মার্চ ইনস্টাগ্রামে পছন্দের রেসিপি শেয়ার করলেন অভিনেত্রী সাংসদ নুসরত জাহান। ওই একই দিনে করোনায় সামজিক দূরত্ব নিয়ে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করলেন অভিনেত্রী সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। 

২. মিমি যেখানে ইনস্টাগ্রামে একের পর এক পোস্টে জনসচেতনতার বার্তা দিচ্ছেন, এলাকার সাংসদ হিসেবে মানুষের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে ত্রাণ পাঠাচ্ছেন, সেখানে নুসরত কোনও দিন কেক বানাচ্ছেন, কোনও দিন লিখছেন সাজপোশাক নিয়ে, কোনও দিন (১৩ ও ১৪ মে) আবার নিজের নানা মুডের ছবি দিয়ে ভরিয়ে তুলছেন ইনস্টার দেওয়াল।

আরও পড়ুন: ‘এত মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল যে গুনে শেষ করা যাবে না’, ফের বিস্ফোরক মন্তব্য নোবেলের

৩.প্রত্যেক বারের মতো এ বারেও ইফতারের সময় তাঁর এলাকার মানুষের পাশে থাকার অভিনব ব্যবস্থা করেছিলেন মিমি। এই প্রথম কোনও সাংসদ লাইভ স্ট্রিমিং-এ তাঁর কাছের মানুষদের সঙ্গে কথা বললেন।অন্য দিকে, লকডাউনে নিজের পরিবার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যান নুসরত। দু’সপ্তাহ হোম কোয়রান্টিনে থাকার পর বেহালার বৃদ্ধাবাস আর বিশেষ ভাবে সক্ষম মানুষের পাশে দাঁড়ান নুসরত। প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী দিয়ে তাঁদের সঙ্গে কিছু সময় কাটানও।

৪.বাবা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি, তাঁর কেন্দ্র বসিরহাটের অন্তর্গত বাদুড়িয়ায় দিন কয়েক আগে পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধ হয়েছে— সেই পরিস্থিতিতে কী করে নিশ্চিন্তে টিকটক ভিডিয়ো বানাতে পারেন তিনি? তা নিয়েই প্রশ্ন তুললেন নেটাগরিকদের একাংশ।অনেকেই নুসরতকে সরাসরি উল্লেখ করে বলেন, “টিকটক করার সময় অনেক আছে ম্যাডাম। এ বার একটু মানুষের পাশে দাঁড়ান।”

৫. ২০ মে-র আমপানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে দুই সাংসদের এলাকা। মিমি বেরিয়ে পড়েন বারুইপুর, সোনারপুর, ভাঙড়ে। খাদ্যসামগ্রী থেকে ত্রিপল দেন এলাকার মানুষকে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেখেন কোথায় কতটা ক্ষতি হয়েছে। মানুষকে আশ্বস্ত করেন তিনি।

৬.আমপানের দু’দিন পরে স্বামী নিখিলকে নিয়ে বসিরহাট পৌঁছন নুসরত। তিনি বলেন, যখন করোনার সঙ্গে লড়াই করছিলাম তখন কলকাতায় বসে নিজের কেন্দ্রের মানুষকে মাস্ক, স্যানিটাইজার, খাবার পৌছনোর কাজ করেছি। ভিডিয়ো কলে ক্রমাগত করোনা সচেতনতা নিয়ে কথা বলেছি। মিটিং করেছি। আমপানের পর ভোর সাড়ে ৫টায় কাউন্সিলরকে গাছ কাটিয়ে বসিরহাট ছুটেছি।

.২৮ মে নুসরত দ্বিতীয় বার সন্দেশখালি আর হিঙ্গলগঞ্জ যান। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে প্রাপ্য টাকা আসেনি। টলিউডের বন্ধুবান্ধব, প্রবাসী বাঙালিদের সাহায্যে টাকা জোগাড় চলছে।” তবে তিনি পরিষ্কার বলে দেন, “কী ভাল কাজ করলাম, কত কাজ করলাম, এর মাপকাঠি আমি না। আমার বসিরহাটের মানুষ বলবে।”

দু’জনেই অভিনেত্রী। দু’জনেই নির্বাচনে প্রথম বার জিতে সাংসদ। বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে দু’জনেই এসেছেন এক সময়ে। দু’জনেই দু’জনকে ‘বোনু’ বলে ডেকে থাকেন। সামনাসামনি তাঁদের ভালবাসা, সোশ্যাল মিডিয়ায় একসঙ্গে পোস্ট ভক্তদের চমকে দেয়। কিন্তু অতিমারি আর অতি ঝড়ের এই দুর্যোগ সাংসদ হিসেবে কি এগিয়ে দিল মিমি চক্রবর্তীকে?উত্তর দেবে সাংসদের এলাকার মানুষজন।

আরও পড়ুন: পরিচারিকাকে দিয়ে আটা মাখাবেন? শ্রেণিবৈষম্যকে উসকে বিতর্কে হেমা মালিনী

Gmail 3
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest