আজ ৩০ মে, আজ চলে যাওয়ার ‘ঋতু’…

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

ওয়েব ডেস্ক: আজ ৩০ মে। দিনটি ঠিক মনে করিয়ে দিল ভারতীয় সিনেমার এক ক্ষণজন্মা প্রতিভাকে। তিনি আর কেউ নন, ঋতুপর্ণ ঘোষ। এই দিনেই তিনি আচমকা চলে গিয়েছিলেন সব ধরাছোঁয়ার বাইরে। 

অসময়ের এমন মৃত্যু এখনও কেমন যেন অবিশ্বাস্য মনে হয়। ঋতুপর্ণর ছবি মানেই যেন ছিল টানটান চিত্রনাট্য, সাবলীল অভিনয়ের এক টাটকা বাতাস। এখনও ঋতুপর্ণর লেখাগুলো পড়লে বোঝা যায় যে তাঁর মধ্যে মননশীলতা ও সংবেদনশীলতার কী চমৎকার সহাবস্থান ছিল। 

ঋতুপর্ণ মানেই মন খারাপের দিনে মেঘ পিওনের ব্যাগের কথা। তারপর ঋতুপর্ণের বয়স বাড়ল। ধীরে ধীরে আমরা পরিচিত হলাম তাঁর চলচ্চিত্রে ‘চোখা চোখা’ ভাষায় ঝগড়া করা, মন ভার করা সংলাপ বলা আর গম্ভীর চিন্তা করা চরিত্রগুলোর সঙ্গে।

da99096481366cc0d803904b2679c206 5ed1509ec02eb
ছবির সেটে…

দেখলাম যে ঋতুর সিনেমায় আদিগন্ত মাঠ বা খোলা আকাশের দেখা মেলা ভার; বরং সিনেমাগুলোতে জানালার ফাঁক গলিয়ে একচিলতে রোদ্দুরই ভরসা। কিন্তু ওই রোদ্দুরটুকুই বেশ লাগত। তারপর একদিন হঠাৎ ঋতুপর্ণ সুনীল বেশে, কাজল নয়নে অভিসারে যেতে চাইলেন। শোনা গেল বনমালী নয়, পরজনমে রাধা হবেন তিনি। একদিন বললেন, সিনেমা হলের অন্ধকারে নাকি তাঁর দম বন্ধ হয়ে আসছে, তাই ঋতুপর্ণ নিজের থেকেই পালাতে চাইছিলেন ক্রমাগত। এরপর এক সকালে শোনা গেল, সত্যিই পালিয়েছেন তিনি। চলে গেছেন অসীমে। বলেছিলেন, ‘সত্যি যদি পরলোক বলে কিছু থাকে, তবে একদিন সন্ধেবেলা, পায়ে হেঁটে পৌঁছব সেখানে।’

পরপারে চলে না গেলে এ বছর ঋতুর বয়স হতো ৫৭ বছর। বেঁচে থাকলে জেন্ডার ও যৌনতার পরিসরে আরও নতুন পাঠ হাজির করতেন নিশ্চিত। মঞ্চের কাজগুলো হয়তো গুছিয়ে নিতেন আরও খানিকটা। আবারও কোনো আড্ডায় হয়তো বলে উঠতেন, ‘এ শহর (কলকাতা) আমাকে গ্রহণ করতে পারে না, আবার ফেলে দিতেও পারে না।’ কিন্তু ঋতুপর্ণকে ফেলে দিলে বাংলা চলচ্চিত্র থেকে হারিয়ে যায় একটি বিশেষ যুগপর্ব। এতই সহজ ঋতুপর্ণকে ফেলে দেওয়া?

Gmail 3
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest