প্রয়াত বিশিষ্ট রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক

১৯৯০ সালে প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর প্রথম রবীন্দ্রসঙ্গীত অ্যালবাম 'আমার মন মানে না'।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

চলে গেলে রবীন্দ্র সংগীতের দুনিয়ার পরিচিত নাম মিতা হক। ওপার বাংলার এই জনপ্রিয় সংগীত শিল্পীর মৃত্যু হয়েছে আজ (রবিবার) ভোরে। এদিন ঢাকার এক হাসাপাতালে সকাল ৬টা ২০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৫৯ বছর বসয়ী শিল্পী। করোনা আক্রান্ত হয়েই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি, চার দিন আগে করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসে তবুও শেষরক্ষা হল না।

বাংলাদেশি সংবাদপত্র প্রথম আলোকে মিতা হকের মৃত্যু সংবাদ নিশ্চিত করেছেন তাঁর জামাই মুস্তাফিদ শাহিন। পরিবার সূত্রে খবর, গত পাঁচ বছর ধরে কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন শিল্পী, নিয়মিত ডায়ালাইসিস চলত। করোনার জেরে শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন তিনি।

১৯৬২ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন মিতা হক। সঙ্গীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ২০১৬ সালে শিল্পকলা পদক পান তিনি। ২০২০ সালে তাঁকে একুশে পদক দেয় বাংলাদেশ সরকার। প্রয়াত অভিনেতা ও নির্দেশক খালেদ খান ছিলেন মিতার স্বামী। খালেদ খান ও মিতা হকের একমাত্র সন্তান ফারহিন খান জয়িতাও রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী।

আরও পড়ুন: মুম্বই গিয়ে বিয়ে সেরে ফেললেন ঋতাভরী চক্রবর্তী!

মিতা তাঁর কাকা রবীন্দ্রগবেষক ওয়াহিদুল হকের কাছে এবং সনজীদা খাতুন ও উস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খানের কাছে গান শিখেছিলেন। ১৯৯০ সালে প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর প্রথম রবীন্দ্রসঙ্গীত অ্যালবাম ‘আমার মন মানে না’। এরপর বাংলাদেশ ও ভারত মিলিয়ে মোট ২৪টি অ্যালবাম প্রকাশ হয় তাঁর।

এদিন শেষ শ্রদ্ধার জন্য ছায়ানটে শায়িত রাখা হবে শিল্পীর মরদেহ। পরিবার সূত্রে খবর, আজই কেরানীগঞ্জের বড় মনোহারিয়ায় কবরস্থ করা হবে মিতা হককে।

আরও পড়ুন: হবু মা’কে অনলাইনেই সাধ খাওয়ালেন কৌশিকীরা, উচ্ছ্বসিত শ্রেয়া

 

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest