Rhea Chakraborty's Bank Accounts Unfrozen, Laptop And Mobile Returned

এক বছর পর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ফোন এবং ল্যাপটপ ফিরে পেলেন সুশান্ত-প্রেমিকা রিয়া চক্রবর্তী

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

২০২০ সালের ১৪ জুন মারা যান বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত। তাঁর মৃত্যুকে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠেছিল। তদন্ত নিয়ে তোলপাড় ছিল গোটা দেশ। কাঠগড়ায় ছিলেন প্রেমিকা রিয়া চক্রবর্তী। সুশান্তকে মাদক সরবরাহ করার মামলায় এক মাসের জন্য হাজতবাসও হয়েছিল তাঁর। পরে জামিন পেয়ে গেলেও তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। গত এক বছর ধরে নিজের সম্পত্তিতে দখল ছিল না রিয়ার। তবে বুধবার মাদক মামলা সংক্রান্ত (এনডিপিএস) আদালতের অনুমতিতে নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফিরে পেলেন রিয়া চক্রবর্তী। পেলেন বাজেয়াপ্ত করা ল্যাপটপ এবং ফোনও।

সুশান্তের রহস্য মৃত্যু মামলায় রিয়ার বিরুদ্ধে এফআইআর করেছিলেন অভিনেতার বাবা কে কে সিং। তারপর ইডি-র হাতে আসে সুশান্তের অ্যাকাউন্ট থেকে তোলা হয়েছে ৫৫ লাখ টাকা। সেই টাকা রিয়ার ব্যাঙ্কে না ঢুকলেও, অভিনেত্রীর আয় ও ব্যায়ের বিশাল তারতম্য দেখে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সিজ করে দেওয়া হয়। তারপর থেকে নিজের ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেটস আর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফিরে পেতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রিয়া।

রিয়া আদালতের কাছে নিজের আবেদনে জানান, ‘তিনি পেশায় একজন অভিনেতা’ এবং ‘এনসিবি তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আর এফডি সিজ করেছে ১৬/৯/২০২০ সালে কোনও কারণ ছাড়া। যা তাঁর ক্ষেত্রে পক্ষপাতদুষ্ট ও অবিচার।’ রিয়া তাঁর আবেদনে আরও জানান, তাঁর এই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টটি প্রয়োজন বিভিন্ন ট্যাক্স দিতে, নিজের কর্মচারীদের বেতন দিতে আর ছোট ভাইয়ের খরচ চালাতে। এমনকী, তাঁর সমস্ত খরচও এই অ্যাকাউন্ট থেকেই করেন তিনি।

একইসঙ্গে এনসিবি রিয়ার অ্যাপেলের ম্যাকবুক আর মোবাইল বাজেয়াপ্ত করেছিল, সেগুলোও ফিরে পাওয়ার জন্য আবেদন করেন তিনি। এবং মুম্বইয়ের বিশেষ আদালতের তরফ থেকে রিয়ার এই আবেদনেও শিলমোহর দেওয়া হয়েছে। স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটার অতুল সারপান্ডে জানিয়েছেন, সুশান্ত-মামলায় তদন্তকারী আধিকারিক ইতিমধ্যেই রিয়াকে তাঁর জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

কিন্তু অন্য দিক থেকে নানা রকম আপত্তি এসেছে। নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর (এনসিবি) প্রতিনিধি আইনজীবী অতুলের যুক্তি, যেহেতু মাদক-মামলার তদন্ত এখনও শেষ হয়নি, তাই এই মুহূর্তে বাজয়াপ্ত করা অ্যাকাউন্টগুলি ছেড়ে দিলে তদন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যদিও আদালতের রায়ে শেষ মেশ রিয়ার পক্ষেই দাঁড়ায়।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest