একচামচ ঘি আর মাখন… ধাবার তড়কার স্বাদ পাবেন আপনার বাড়ির রান্নাঘরেই!

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

দুপুরের ভুরিভোজের পর রাতের বেলা রুটির সঙ্গে জোড়ি নং ১ হল তড়কা। তা হোক ডিম তড়কা বা মাখন তড়কা। আদা, পেঁয়াজ, রসুন, আর ডালের সঙ্গে স্রেফ একচামচ মাখনেই খুলবে ধাবার স্বাদ। এছাড়াও ধাবা স্টাইল তড়কা বাড়িতে বানাতে গেলে কয়েকটা সহজ টিপস রয়েছে। যেমন সরষের তেল আর ঘি আগে একসঙ্গে মিশিয়ে রান্নায় ব্যবহার করেছেন কখনও? করেননি তো। রইল রেসিপি।

আরও পড়ুন: বিখ্যাত রেস্তোরার গলৌটি কাবাবের রেসিপি ফাঁস! বাড়িতেই বানিয়ে হবে বাজিমাত

উপকরণ:

কাবলি ছোলা ১/২ কাপ

গোটা মুগ ডাল ১/২ কাপ

ছোলার ডাল ১/২ কাপ

অড়হড় ডাল ১/২ কাপ

রাজমা ডাল (ছোট দানা) ১/২ কাপ

কসুরি মেথি ২ চামচ

জিরেগুঁড়ো (ভাজা) ১ চামচ

কাঁচালংকা (কুচি) ১/২ কাপ

পেঁয়াজ ৪ টুকরো করা ২ টি বড়

রসুন (কুচি) ১ ১/২ চামচ

সরষের তেল ৩ চামচ

নুন পরিমানমতো

তেজপাতা ২ টি

গোটা জিরে ১/২ চামচ

চিনি ১ চামচ

টমেটো (কুচি) ১ টি বড়

বাটার ২ চামচ

হলুদগুঁড়ো ১ চামচ

আদা (বাটা) ১ ১/২ চামচ

প্রণালী:

সব ডাল মিশিয়ে আগের রাতে ভিজিয়ে রেখে দিন। তারপর সব ডাল, পেঁয়াজ ও টমেটো একসাথে করে প্রেসার কুকারে সেদ্ধ করতে দিন। অন্য পাত্রে তেল গরম করে তেজপাতা, গোটা জিরে ও রসুন কুচি ফোড়ন দিন। রসুন ভাজার গন্ধ বের হলে সামান্য চিনি দিন ও হলুদ, আদা বাটা দিয়ে কষিয়ে নিন। এরপর কাঁচালংকা দিয়ে আরও একটু ভাজা ভাজা হয়ে এলে সেদ্ধ ডালটা দিয়ে দিন। নুন ও মিষ্টি দিয়ে একটু ফুটতে দিন। জল দেবেন না। মাখা মাখা হয়ে এলে কসুরি মেথি ও জিরেগুঁড়ো ছড়িয়ে চাপা দিয়ে দিন। খানিকক্ষণ পর ঢাকা খুলে বাটার দিয়ে দিন। বাটার পরিবেশনের সময়ও দিতে পারেন। ইচ্ছা করলে ডিম ঝুরো করে ভেজে ছড়িয়ে দিতে পারেন।

আরও পড়ুন: তরকারিতে নুন বেশি দিয়ে ফেলেন? জেনে নিন স্বাদ ভালো করার ১০টি উপায়

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest