Calculate water consumption, reduce the risk of heart attack!

জল খান হিসেব করে, কমবে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি!

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

জল খাওয়া এমনিতেই উপকারী। শরীর ডিটক্সিফাই করার মতো উপকার জল করে সবচেয়ে বেশি। পাশাপাশি শরীরকে ডিহাইড্রেট করা থেকেও বাঁচায়। তবে সাম্প্রতিক কিছু গবেষণা সামনে তুলে আনছে জল খাওয়ার আরও বেশি সুবিধের কথা। গবেষণায় দেখে গিয়েছে, রোজ যদি নিদেনপক্ষে ৮ গ্লাস জল খাওয়া যায়, তা হলে তার সুফল মিলবে ২৫ বছর পরেও। অর্থাৎ একটা সময়ের পরে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভীষণ ভাবে বেড়ে যায় হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা।

ইউরোপিয়ান স্টাডি অফ কার্ডিয়োলজিক্যাল কংগ্রেসে এই কথাই উঠে এসেছে বারবার। অধিবেশনে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, খুব অল্প বয়স থেকেই কতটা পরিমাণে জল কেউ খাচ্ছেন, সেই অভ্যেস প্রভাবিত করে ভবিষ্যতের সুস্থতাকেও। প্রত্যেক দিন গ্রহণ করা পানীয় আসলে ভালো রাখে হার্টকে। তবে এ কথা বলা জরুরি, পানীয় বলতে জলকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

কতটা জল খাওয়া আদর্শ?

  1. গবেষণা বলছে, দিনে কতটা পরিমাণ জল কেউ খাবেন, তা সকলের ক্ষেত্রে সমান নয়।
  2. পুরুষ এবং মহিলাদের আলাদা আলাদা পরিমাণ দরকার হয়। এক জন পুরুষের দিনে ৩.৭ লিটার জল খাওয়া প্রয়োজন। অন্য দিকে এক জন সেই পরিমাণটা কম, দিনে ২.৭ লিটার।
  3. তবে এ ক্ষেত্রে বলে নেওয়া প্রয়োজন ৩.৭ বা ২.৭ লিটার… যা-ই খাওয়া হোক না কেন, তা দিনের গৃহীত আদর্শ পানীয়। অর্থাৎ এর মধ্যেই আছে জল, ফলের রস ইত্যাদি।
  4. এমনকি কেউ যদি খাওয়ার পাতে শাকের ঝোলও খান কিংবা রেস্তরাঁয় ক্লিয়ার সুপ… তা হলেও তা পরিগণিত হবে এই পানীয় মাত্রার মধ্যেই।
  5. গবেষণা বলছে, কেউ যদি কম পরিমাণে জল খান, তা হলে শরীরে সিরাম সোডিয়ামের মাত্রা কমতে থাকে এবং শরীরও সেই বুঝে জল সংরক্ষণের চেষ্টা করে। এর ফলে সেই সব লক্ষণের জন্ম দেয়, যা আদতে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাকে বাড়ফিয়ে দেয় বহু গুণ।

চিকিৎসকেরা বলছেন, রোজ যদি নিয়ম মেনে বেশি পরিমাণে জল খাওয়া যায় এবং নুন খাওয়ার মাত্রা কমানো যায়, তা হলে হার্ট অ্যাটাক কমানো যায়। কিন্তু পাশাপাশি এ-ও মনে রাখতে হবে, হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম কারণ হাই ব্লাড প্রেশার এবং করোনারি আর্টারি ডিজিজ। তাই যদি সুস্থ জীবনযাপন করতে হয় এবং হার্টের সমস্যাকে এড়িয়ে যেতে হয়, তা হলে সাবধানী এবং সচেতন জীবনযাত্রাই এক মাত্র পথ।

আরও পড়ুন: শ্রীকৃষ্ণের প্রিয় মাখন মিছরি, জানুন এটি খেলে কী কী উপকার পাওয়া যায়?

কী ভাবে হিসেব রাখবেন জলের?

  1. চিকিৎসকেরা জলের হিসেব রাখতে বলছেন নিজের মতো করে। অর্থাৎ, প্রত্যেকের জলের বোতল আলাদা হোক। এ ক্ষেত্রে পরিবারের প্রত্যেক সদস্য নিজের বোতল থেকেই জল খেলে বোঝা যাবে যে তিনি কতটা খেয়েছেন এবং কতটা খাওয়া এখনও বাকি রয়েছে।
  2. এর পাশাপাশি কেউ চাইলে ড্রিঙ্কিং মেজারমেন্ট জাতীয় অ্যাপও ব্যভার করতে পারেন। এ রকম নানা ধরনের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন সহজে পাওয়া যায়। এক বারে কতটা জল খাবেন, সেই অনুযায়ী গোল সেট করতে পারেন। কেউ ১০০ মিলিলিটার, কেউ ২৫০ মিলিলিটার, কেউ ৩০০ মিলিলিটার গোল সেট করতে পারেন। প্রত্যেক ঘণ্টায় ঘণ্টায় নোটিফিকেশন এসে জানান দেবে, আপনার জল খাওয়ার সময় হয়ে গিয়েছে। ফলে আলাদা করে নিয়ম মেনে জল খাওয়ার কথা মনে করতে হবে না।

মোবাইলের অ্যাাপের সাহায্য নিন অথবা বোতল আলাদা করুন, জল খাওয়া উচিত নিজের ভালো থাকার জন্যই। ভবিষ্যতে হার্ট ভালো রাখার কারণ যেমন এ ক্ষেত্রে জড়িয়ে আছে, তেমনই আছে নিজের শরীরকে ডিটক্সিফাই করার কারণও।

আরও পড়ুন: Rasgulla Benefits: গরম গরম রসগোল্লা খেতে পারেন রোজ! উপকারিতা শুনলে চমকে যাবেন

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest