হেয়ার রিমুভাল ক্রিম ব্যবহার করেন? তিনটি মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া জানা আছে কি?

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

বাড়িতে দু’টি উপায়ে হাতে-পায়ের অবাঞ্ছিত লোম থেকে নিস্তার পাওয়া যেতে পারে। এক, রেজার ব্যবহার করা আর দুই, হেয়ার রিমুভাল ক্রিম ব্যবহার করা। রেজার ব্যবহার করলে খুব তাড়াতাড়ি হাত-পায়ের লোম ফিরে আসে। তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হেয়ার রিমুভাল ক্রিম ব্যবহার করার তাগিদ লক্ষ্য করা যায়। আপনিও কি এই পথের পথিক? তাহলে নিজের অজান্তেই নিজের ত্বকের ক্ষতি করছেন। কীভাবে?

  • হেয়ার রিমুভাল ক্রিমে এক ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। যাতে হাত ও পায়ের অবাঞ্ছিত লোমগুলি খুব সহজেই গোড়া থেকে বেরিয়ে আসে। একথা হয়তো অনেকেরই জানা। যেটা না জানা থাকতে পারে তা হল এই রাসায়নিকে ক্যালসিয়াম হাইড্রক্সাইড (calcium hydroxide) এবং পটাশিয়াম হাইড্রক্সাইড থাকে যা ভীষণভাবে ত্বকের ক্ষতি করে। বিশেষ করে স্পর্শকাতর ত্বকের ক্ষেত্রে। হেয়ার রিমুভাল ক্রিম বেশিদিন ব্যবহার করলে ত্বকের রং কালো হয়ে যেতে পারে। র‌্যাশও হতে পারে।

আরও পড়ুন: বয়েস তিরিশের কোঠায়? জেনে নিন ত্বকের যত্নের ডু’জ় অ্যান্ড ডোন্টস

  • সাধারণত বেশিরভাগ হেয়ার রিমুভাল ক্রিমে পিএইচ লেভেল বেশি থাকে। যা মানবদেহের ত্বকের ক্ষেত্রে খুবই ক্ষতিকর। এতে ত্বক ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে কোনও হেয়ার রিমুভাল ক্রিম ব্যবহার করার আগে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া প্রয়োজন।
  • তৃতীয় কারণটি সবচেয়ে সাংঘাতিক। বেশিরভাগ হেয়ার রিমুভাল ক্রিমে যে রাসায়নিক থাকে। তাতে যেমন গোড়া থেকে হাত ও পায়ের অবাঞ্ছিত লোম তুলে আনার ক্ষমতা থাকে, তেমনই ত্বক পুড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা থাকে। সময়ের হিসেব না রাখতে পারলে ফার্স্ট ডিগ্রি বার্ন তো বটেই সেকেন্ড ডিগ্রি বার্ন পর্যন্ত হতে পারে।

তাই, চোখ-কান খোলা রেখে সিদ্ধান্ত নেবেন। আর নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন।

আরও পড়ুন: শুধু স্বাস্হ্য রক্ষায় নয়, ত্বক পরিচর্চাতেও কাজে লাগে গ্রিন টি! জেনে নিন কীভাবে ব্যবহার করবেন…

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest