17-year-old UP girl killed by her family for wearing jeans

উত্তরপ্রদেশে জিন্স পরায় কিশোরীকে পিটিয়ে হত্যা করল দাদু-কাকারা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

পরিবারের সদস্যদের হাতে নির্মমভাবে খুন হয় উত্তরপ্রদেশের এক তরুণী । তার অপরাধ সে জিন্স পরেছিল। কেবল এ কারণেই তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে তারই পরিবারের লোকজন। এমন বর্বর ঘটনা ঘটেছে যোগী রাজ্যে। এই ঘটনার পর আরও একবার প্রমাণ হল ‘বেটি পড়াও ও বেটি বাঁচাও’ স্লোগানের অসাঢ়তা।

আরও পড়ুন : ইয়েদুরাপ্পার পর রাজ্যে ফের লিঙ্গায়েত নেতা, কর্নাটকের নয়া মুখ্যমন্ত্রী হলেন বাসবরাজ এস বোম্মাই

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে ১৭ বছর বয়সী নেহা পাসওয়ানকে পিটিয়ে হত্যা করার ঘটনায় তার পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। নেহা জিন্স পরার কারণেই তার সঙ্গে এমন বর্বর ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়।

তার মা শকুন্তলা দেবী পাসওয়ান সংবাদমাধ্যমকে জানান, তার মেয়ে নেহাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করে তার দাদু এবং কাকারা ।দাদু ও কাকাদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় নেহার। উত্তরপ্রদেশেরদেওরিয়া জেলার সাবরেজি খার্গ গ্রামের এই ঘটনা ফের একবার নারী নিরাপত্তার বিষয়টি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। সাবরেজি খার্গ ইউপির অনুন্নত গ্রামগুলোর একটি।

নেহার মা জানান, ধর্মীয় রীতি পালনে সেদিন উপোস ছিল নেহা। সন্ধ্যায় সে একটি জিন্সের প্যান্ট আর উপরে একটি টপ পরে এবং সেভাবেই ধর্মীয় রীতি পালন করছিল। কিন্তু তার পোশাক নিয়ে আপত্তি তোলেন তার দাদু এবং ঠাকুমা । নেহা তাদেরকে জানায়, এই জিন্স তো পরার জন্যই বানানো হয়েছে। সুতরাং তার এটাই পরা উচিত।

শকুন্তলা দেবী জানান, তার মেয়েকে মারধরের পর সে অচেতন হয়ে পড়লে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন একটি অটোরিক্সা ডাকে। তারা জানায়, নেহাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

তাঁকে সঙ্গে নেওয়া হয়নি। তিনি বিষয়টি তাঁর আত্মীয়-স্বজনদের জানান। তারা হাসপাতালে খোঁজ নেয়া শুরু করে। কিন্তু কোনও হাসপাতালে নেহাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। শকুন্তলা দেবী বলেন, পরের দিন সকালে তিনি শুনতে পান গন্ধক নদীর ওপরে একটি সেতুতে তার মেয়ের লাশ ঝুলে আছে। খবর পেয়ে ঘটনার সত্যতা জানতে সেখানে ছুটে যান তারা। সেখানে গিয়ে দেখতে পান, সেটা তাঁর মেয়েরই দেহ।

এ ঘটনায় হত্যা ও প্রমাণ ধ্বংসের অভিযোগে পুলিশ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে আছেন নেহার দাদু, ঠাকুমা , কাকা ও কাকিরা।

শকুন্তলা দেবী জানান, তার মেয়ে পুলিশ অফিসার হতে চেয়েছিল। কিন্তু তার সেই স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেল। তিনি অভিযোগ করেন, তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন নেহাকে স্থানীয় স্কুলে পড়া বন্ধ করে দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিল। তাদের সংস্কৃতির বাইরে যে কোনও পোশাক পরলেই তা নিয়ে নেহাকে কথা শোনাতো। নেহা আধুনিক পোশাক পরতে পছন্দ করত কিন্তু সেটা তার পরিবারের কেউ মেনে নিতে পারছিল না। তাদের জন্যই অকালে চলে যেতে হল তাঁর মেয়েকে।

আরও পড়ুন : ছাতা হাতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি দিদি, মোদীকে বার্তা মমতার,দাঁড়ালেন বৃষ্টিভেজা রাস্তাতেই

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest