According to NFR report women are more than men in India

এই প্রথমবার! ভারতে পুরুষের থেকে বেশি হল মহিলার সংখ্যা, উঠে এল সমীক্ষায়

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

বুধবার ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সমীক্ষার (National Family Health Survey) রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে যে, দেশে জনসখ্যার নিরিখে এগিয়ে মহিলারা (Women) এবং পিছিয়ে পুরুষরা (Men)। পুরুষ এবং মহিলার সংখ্যার এই অনুপাতে দেখা গেছে যে দেশে প্রতি ১০০০ জন পুরুষের মধ্যে মহিলার সংখ্যা ১২০০ জন যা ভারতের ইতিহাসে এই প্রথম। কারণ এর পূর্বে পুরুষ মহিলার এই সংখ্যার অনুপাত সমান সমান পাওয়া গেলেও মহিলাদের সংখ্যা প্রথম কখনওই হয় নি। একইসঙ্গে সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে, আর জনবিস্ফোরণের আশঙ্কা নেই ভারতে এমন কি জনসংখ্যার বয়সও কমছে না।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯৯০ সালে ভারতে ১,০০০ জন পুরুষপিছু মহিলার সংখ্যা ছিল ৯২৭। ২০০৫-০৬ সালের জাতীয় পরিবার এবং স্বাস্থ্য সমীক্ষায় পুরুষ এবং মহিলার সংখ্যা সমান ছিল। অর্থাৎ প্রতি ১,০০০ জন মহিলায় পুরুষের সংখ্যা ছিল ১,০০০ জন। কিন্তু ২০১৫-১৬ সালে জাতীয় পরিবার এবং স্বাস্থ্য সমীক্ষায় তা কিছুটা কমে গিয়েছিল। মহিলা এবং পুরুষের অনুপাত দাঁড়িয়েছিল ৯৯১:১,০০০। এবার পুরুষদের টেক্কা দিয়েছেন মহিলারা। তার ফলে জাতীয় পরিবার এবং স্বাস্থ্য সমীক্ষা হোক বা আদমশুমারি – এই প্রথমবার কোনও পরিসংখ্যানে পুরুষদের নিরিখে নারীদের সংখ্যা বেশি থাকল।

চলতি বছরে পুরুষ (Men) এবং মহিলার (Women) সংখ্যার অনুপাত ১০০০:১২০০।  ২০১৫-১৬ সালে প্রকাশিত ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সমীক্ষার(National Family Health Survey)  চতুর্থ পর্যায়ের রিপোর্টে যা ছিল ১০০০:৯৯১। এর আগে ২০০৫- ২০০৬ সালে প্রকাশিত রিপোর্টে সংখ্যাটা ছিল সমান সমান। কারণ সেই রিপোর্ট অনুসারে পুরুষ এবং মহিলার সংখ্যার অনুপাত ছিল ১০০০:১০০০ যা পরিবর্তী রিপোর্টের গিয়ে আবার মহিলাদের ক্ষেত্রে কিছুটা কমে গিয়েছিল। ১৯৯০ সালে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে আবার এই সংখ্যার অনুপাত ছিল আরওই কম। কারণ তখন প্রতি ১০০০ জন পুরুষের মধ্যে মহিলার সংখ্যা ছিল ৯২৭ জন।

তবে এই সম্পূর্ন তথ্যই উঠে এসেছে স্যাম্পেল সমীক্ষার উপর ভিত্তি করে। কারণ ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সমীক্ষা (National Family Health Survey) দেশের ৭০৭ টি জেলার প্রায় ৬৫০,০০০ জন বাড়িতে চালানো হয়েছিল। সমীক্ষার প্রথম পর্বে এই রিপোর্টের (First Term Survey Report) ফলাফল ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রকাশ করা হয়েছিল। এরপর দ্বিতীয় পর্যায়ে যে রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলির সমীক্ষা প্রকাশ করা হয়েছে , সেগুলির মধ্যে রয়েছে অরুণাচল প্রদেশ, চণ্ডীগড়, ছত্তিসগড়, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, মধ্যপ্রদেশ, দিল্লি, ওড়িশা, পুদুচেরি, পঞ্জাব, রাজস্থান, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ড।

পাশাপাশি দেশে প্রজনন হার অর্থাৎ টোট্যাল ফার্টিলিটি রেট বা টিএফআর (Total Fertility Rate or TFR) আগের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে। কারণ জাতীয় স্তরে প্রতি মহিলা (Women)  অনুসারে সন্তানের সংখ্যা ২.২ থেকে কমে হয়েছে ২.০। যদিও বর্তমানে সর্বভারতীয় স্তরে হাসপাতালে জন্মদানের হার ৭৯ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৮৯ শতাংশ। পুদুচেরি ও তামিলনাড়ুতে হাসপাতালে প্রসবের হার ১০০ শতাংশ।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest