CONGRESS TWEET TO SUPPORTS ALL INDIA TMC GENERAL SECRETARY ABHISHEK BANERJEE ON PEGASUS ISSUE

পেগাসাস কাণ্ডে অভিষেকের হয়ে গলা ফাটাল কংগ্রেস! ‘দিদির’ দিল্লি যাত্রার আগে বন্ধু-বার্তা!

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

খটকা লাগতেই পারে। কংগ্রেসের টুইটার হ্যান্ডেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি।আসলে এখন কংগ্রেস এবং তৃণমূল দুই দলই তৈরি হচ্ছে লোকসভার জন্য।বিজেপিকে রুখে দিয়ে মমতা বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি পারেন।ফলে কংগ্রেসের সঙ্গে ক্রমশ দূরত্ব কমছে তৃণমূলের। এদিন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের ফোনে আড়ি পাতা প্রসঙ্গে সুর চড়িয়েছে হাত শিবির। এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রের সমালোচনায় মুখর হয়েছে রাহুল গান্ধীর দল। পাশাপাশি মমতার দিল্লি সফরের আগে বিরোধী ঐক্যের বার্তা দিল কংগ্রেস। আর সেই টুইটটিকে রিটুইট করে বিজেপির উদ্দেশে হুঙ্কার ছেড়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন।

আরও পড়ুন: World Cadet Championship: কুস্তিতে স্বর্ণ পদক জিতলেন Priya Malik

সম্প্রতি দ্য ওয়্যার পোর্টালে দাবি করা হয়েছিল, ইজরায়েলি স্পাইওয়্যার পেগাসাস ব্যবহার করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোনে আড়িপাতা হয়ে থাকতে পারে। সেই অভিযোগে গত ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে মোদী সরকারকে একের পর এক তোপ দেগেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই অভিযোগে অভিষেকের সমর্থনে টুইট করেছে কংগ্রেস। সেই টুইটিকে রিটুইট করেন ডেরেক। ক্যাপশনে লেখা, খেলা হবে। কংগ্রেসের তরফে তাদের পোস্টে দাবি করা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের সময় অভিষেকের ফোনে আড়িপাতায় এটা স্পষ্ট যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রতি মুহূর্তে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত, কংগ্রেসের এভাবে অন্য এক রাজনৈতিক দলের নেতার বিষয়ে টুইট করা রাজনৈতিক ভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কংগ্রেস নিজেদের টুইটে লেখে, ‘শত্রুকে সব সময় কাছে রাখতে হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই প্রবাদে একটু বেশি বিশ্বাস করেন। আপ ক্রোনোলজি সমঝিয়ে। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোনকে পেগাসাসের শিকার বানানো হয়েছে। এটা বুঝিয়ে দিচ্ছে বিজেপি সরকার সীমাহীন নিরাপত্তাহীনতা ভুগছে।’

অনেকে বলছেন ইউপি নির্বাচনে মোদীর দল খারাপ ফল করলে, তাদের কপালে খারাবি আছে। তবে মোদীর দলের বড় সুবিধা হল, বিরোধীরা দ্বিধাবিভক্ত। কিন্তু সময় খারাপ গেলে কোনও অঙ্কই কাজে লাগে না। একসময় কংগ্রেসও ভাবত দিল্লি তার। এখানে আর কেউ দাঁত ফোটাতে পারবে না। কিন্তু বিজেপি কংগ্রেসকে সরিয়ে প্রমান করে দিয়েছে স্থায়ী বলে কিছু হয় না। মোদী ও তাঁর সাঙ্গপাঙ্গদের ভাব দেখে মনে হয় যে অসুখে কংগ্রেস ভুগতে সেই একই অসুখ তাদের ধরেছে। এক্ষেত্রে রোগ আরও ভয়াবহ। তাই বিরোধীরা যদি নিজেদের ক্ষুদ্র স্বার্থের সঙ্গে খানিকটা আপোষ করতে পারে তবে বিজেপিকে হঠানো কঠিন নয়। মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

আরও পড়ুন: প্রেমের ‘শাস্তি’! গণধোলাই দিয়ে যৌনাঙ্গ কেটে খুন! প্রেমিকার বাড়ির সামনেই শেষকৃত্য তরুণের

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest