Dainik Bhaskar says no more reference to woman’s skin tone in its matrimonial ads

পাত্রীর গায়ের রং লেখা থাকলে প্রকাশিত হবে না বিয়ের বিজ্ঞাপন, নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত এই পত্রিকার

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

পাত্রী কেমন? এই প্রশ্নের গোড়াতেই উত্তর আসবে, হয় কালো নয় ফরসা। যেন এর বাইরে কিছু হয় না। মানুষ যতই এগিয়ে যাক না কেন, আজও মানুষের সৌন্দর্যের মাপকাঠি এই ফরসা-কালো বাইনারিতেই আটকে আছে। দৃষ্টিভঙ্গির বদল নেই। এই দীর্ঘকালীন অযৌক্তিক প্রথায় ইতি টানতে অভিনব পদক্ষেপ করল প্রখ্যাত সংবাদমাধ্যম ‘দৈনিক ভাস্কর’।

সংস্থার পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, বর্ণ অর্থাৎ পাত্রীর গায়ের রং উল্লেখ থাকলে পাত্র-পাত্রী চাই কলামে সেই বিজ্ঞাপন এবার থেকে প্রকাশিত হবে না। নির্দিষ্ট কিছু শব্দের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে সেখানে। সাধারণত পাত্রীর গায়ের রং বোঝাতে ‘ফরসা’, ‘উজ্জ্বল গমের মতো বর্ণ’ এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করা হয়।

আরও পড়ুন: Russia-Ukraine War: কিয়েভ ছেড়ে পশ্চিম প্রান্তের দিকে পালান, নাগরিকদের সতর্কবার্তা ভারতীয় দূতাবাসের

দৈনিক ভাস্কর-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুধীর আগরওয়াল জানিয়েছেন, এবার থেকে যদি বিজ্ঞাপনে এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করে পাত্রীর গায়ের রং চিহ্নিত করা হয়, তবে কোনোভাবেই তাঁরা তাঁদের সংবাদমাধ্যমে সেই বিজ্ঞাপন প্রকাশ করবেন না। তবে শুধু এই শব্দ নয়, গায়ের রং-এর উল্লেখ থাকা বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা থেকেই বিরত থাকবেন তাঁরা। সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গায়ের রং নয়, পাত্রীর ব্যক্তিত্বই তাঁর সৌন্দর্যের পরিচায়ক। প্রত্যেকেরই আলাদা ব্যক্তিত্ব আছে। গায়ের রং দিয়ে পাত্রীকে চিহ্নিত করার মধ্যযুগীয় পন্থা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা। সেই সচেতনতা বাড়িয়ে তোলারই উদ্যোগ হিসাবে নেওয়া হয়েছে এই পদক্ষেপ।

এই সিদ্ধান্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় বহুজনের প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনেকেই বলছেন, আমাদের মতো দেশে ফরসা পাত্রী খোঁজার প্রথা, একরকম অপরাধেরই সমগোত্র। কেননা এই প্রথা বহু মেয়ের জীবনেই যন্ত্রণা বয়ে আনে। গায়ের রং কী হবে, তা তো কারও হাতে থাকে না। অত্যন্ত স্বাভাবিক এই জিনিসটিকে কেন এমন বৈষম্যের চোখে দেখা হয়, তার উত্তর মেলে না। তবে সময় এসেছে, এবার দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর।

২০২২ এর আন্তর্জাতিক নারী দিবসের থিম ‘Gender equality today for a sustainable tomorrow’ অর্থাৎ ‘সুন্দর আগামী কালের জন্য আজ লিঙ্গসমতা দরকার’। পায়ে পা মিলিয়ে এগিয়ে চলুক নারীরা আজকের সমাজে-পরিবেশে পুরুষদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে চলার দায়িত্ব নারীদের তাহলেই দেশ এবং দেশের উন্নতি সাধন হবে।

আরও পড়ুন: ফিলিস্তিনে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত মুকুল আর্যের রহস্যমৃত্যু নিয়ে জোর চর্চা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest