যোগীরাজ্যে ফের আক্রান্ত মুসলিম প্রৌঢ়, জয় শ্রীরাম নাম বলার কারণে বেধড়ক মার, কেটে নেওয়া হল দাড়িও

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

মুসলিম প্রৌঢ়কে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল। স্থান সেই যোগী রাজ্য। উত্তরপ্রদেশ। এমনকী, তাঁর দাড়িও কেটে ফেলা হয় বলেও অভিযোগ। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মূল অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ঠিক কী হয়েছিল? চলতি মাসের গত ৫ তারিখ গাজিয়াবাদের লোনি এলাকার মসজিদ থেকে নমাজ পড়ে বাড়ি ফিরছিলেন আবদুব সামাদ। অভিযোগ, কয়েকজন যুবক তাঁকে অটো থেকে তুলে নিয়ে যায়। ঝোপঝাড়ে ঢাকা এলাকায় নিয়ে গিয়ে আবদুলকে বেধড়ক মারধর করে অভিযুক্ত যুবকরা। জয় শ্রীরাম বলতেও বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ। আবদুল তাদের কথা না মানায় রাস্তায় ফেলে লাঠি দিয়ে মারা হয়।

আরও পড়ুন : ‘উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করবে? বাংলাকে পরাধীন হতে দেব না’, হুঙ্কার মমতার

আবদুলের আরও অভিযোগ, লাল টিশার্ট পরা এক যুবক তার গলায় ছুরি রেখে ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে বাধ্য করে। তিনি ওই ধ্বনি দিতে অস্বীকার করলে দাড়ি কেটে নেওয়া হয়। এমনকী, তাঁকে পাকিস্তানি চর বলেও কটাক্ষ করে ওই যুবকেরা। এই ঘটনার আতঙ্ক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি আবদুল। আতঙ্কিত ওই প্রৌঢ় কাঁপা কাঁপা গলায় তাঁর অভিজ্ঞতা শুনিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। জানিয়েছেন, অটোয় চেপে বাড়ি ফিরছিলাম। সেই অটোতে আরও দুই যুবকও ওঠে। তারা আমাকে জোর জবরদস্তি করে একটি ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে আমাকে মারধর করে। জোর করে স্লোগান বলতে বাধ্য করা হয়। দাড়ি কেটে নেওয়া হয়। এমনকী, ওই যুবকেরা আমাকে বলেছিল তারা এর আগেও একাধিক মুসলিমকে মারধর করেছে। খুন করতেও ভয় পায় না তারা।

এই ঘটনায় পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পরবেশ গুজ্জর বলে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন : WB Lockdown: বাস, লোকাল ট্রেন, মেট্রো বন্ধই, ১ জুলাই পর্যন্ত কিছু ছাড় দিয়ে রাজ্যে বিধিনিষেধ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest