India is behind Pakistan Bangladesh and Nepal in Global Hunger Index

Global Hunger Index: এগিয়ে পাকিস্তান, নেপাল, বাংলাদেশ, বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে আরও পিছনে ভারত

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে আরও নেমে গেল ভারত। ২০২১ সালে বিশ্বের ১১৬টি দেশের মধ্যে ভারতের স্থান ১০১। ২০২০ সালে ভারত ছিল এই তালিকার ৯৪ নম্বরে। তাৎপর্যপূর্ণ, ভারতকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছে প্রতিবেশী পাকিস্তান, বাংলাদেশ এমনকী নেপালের মতো দেশও। ভারতের আর এক প্রতিবেশী চিন রয়েছে তালিকার একেবারে শীর্ষে।

গত কয়েক বছর ধরেই এই দারিদ্রের মাপকাঠিতে শোচনীয় অবস্থা ভারতের। এবার সেখান থেকে আরও নিচে নামল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘নিউ ইন্ডিয়া’। যৌথভাবে এই তালিকা প্রস্তুত করেছে জার্মানির সংস্থা ‘ওয়েল্ট হাঙ্গার হিলফে’ ও আইরিশ ত্রাণ সংস্থা ‘কনসার্ন ওয়ার্লড ওয়াইড’। ক্ষুধা ও অপুষ্টির নিরিখে তৈরি তালিকাটিতে সবচেয়ে ভাল অবস্থানে রয়েছে চিন, ব্রাজিল, কুয়েতের মতো ১৮টি দেশ। তার জিএইচআই স্কোর ৫-এরও নিচে রয়েছে।

এদিকে ২০০০ সালে ভারতের স্কোর ছিল ৩৮.৮। কিন্তু ২০১২ থেকে ২০২১- এই সময়কালে ভারতের স্কোর ঘোরাফেরা করছে ২৮.৮-২৭.৫-এর মধ্যে। সাম্প্রতিক সূচক অনুযায়ী, ভারতের অবস্থান ‘উদ্বেগজনক’ বিভাগে রয়েছে। প্রতিবেশীদের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে ভারত। তালিকায় ভারতের অনেক আগে রয়েছে নেপাল (৭৬), বাংলাদেশ (৭৬) ও মায়ানমার (৭১)। এমনকী পাকিস্তানও ভারতের থেকে এগিয়ে। তারা রয়েছে ৯২ নম্বর স্থানে। তবে এই চারটি দেশও ‘উদ্বেগজনক’ বিভাগেই রয়েছে।

বিশ্ব ক্ষুধার ক্রমতালিকায় ভারতের পিছনে রয়েছে পাপুয়া নিউগিনি, আফগানিস্তান, নাইজেরিয়া, কঙ্গো, লাইবেরিয়া, মোজাম্বিক, ইয়েমেন, সোমালিয়ার মতো ১৫টি দেশ। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ‘‘কোভিডের ফলে যে বিধিনিষেধ জারি হয়েছিল ভারতে, তার ফলে দেশের নাগরিকদের অবস্থা খারাপ হয়েছে। অপুষ্টি জনিত কারণে শিশুদের ভোগার পরিমাণও বেশি ভারতে।’’

মূলত চারটি বিষয়কে সামনে রেখে সেই মাপকাটি অনুযায়ীই তৈরি হয় এই সূচক। এগুলি হল অপুষ্টি, পাঁচ বছরের কমবয়সি শিশুদের উচ্চতা, মৃত্যুহার, উচ্চতার তুলনায় ওজন। সামগ্রিক ভাবে দেখা যাচ্ছে, খিদের সঙ্গে বিশ্বব্যাপী লড়াই মোটেই ঠিক পথে এগোচ্ছে না। হিসেব বলছে, এই ভাবে চললে সারা বিশ্ব, বিশেষত ৪৭টি দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে ক্ষুধার হার কমিয়ে আনার লক্ষ্যে সফল হতে পারবে না।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest