Kashmiri Students Allege Attack in Punjab After India Loses to Pak in T20 WC

‘পাকিস্তানি…’, বিশ্বকাপে বাবরদের কাছে ভারতের হারের পরই কাশ্মীরিদের উপর হামলা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের জয়ের পর পঞ্জাবের বিভিন্ন কলেজে পড়াশোনা করা কাশ্মীরি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে বলে রিপোর্ট করেছে ‘হিন্দুস্তান’। হামলাকারীদের অধিকাংশই পঞ্জাবে বসবাসরত উত্তরপ্রদেশ ও বিহারের লোকজন রয়েছে। হিন্দুস্তানের রিপোর্ট অনুযায়ী, ‘ফ্রি প্রেস কাশ্মীর’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পঞ্জাবের সাংরুরে ভাই গুরু দাস ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজিতে বেশ কয়েকজন কাশ্মীরি ছাত্রের ওপর হামলা হয়েছে। তাদের হোস্টেলের কক্ষে হামলা করা হয়।

পঞ্জাবের ভাই গুরুদাস ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ও রায়ত ভারা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন। জম্মু কাশ্মীর ছাত্র সংগঠনের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘‘পঞ্জাবের সঙ্গুর ও মোহালি জেলার দু’টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাশ্মীরি পড়ুয়ারা ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের পর আক্রান্ত হয়েছেন। হামলার হাত থেকে স্থানীয় মানুষেরা তাঁদের উদ্ধার করেছেন। মূলত উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা ও বিহারের পড়ুয়ারা রবিবার রাতে আক্রমণ চালান। কাশ্মীরি পড়ুয়াদের হস্টেলের ঘরেও ভাঙচুর চালানো হয়।’’

এই নিয়ে একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করেন আক্রান্ত পড়ুয়ারা। তাঁরা দাবি করেন, নিরাপত্তারক্ষীরা হস্টেলে হামলাকারীদের ঢুকতে দেয়। তার পর মূলত উত্তরপ্রদেশের পড়ুয়াদের নেতৃত্বে হামলাকারীরা হস্টেলের ঘরে ঢুকে তাণ্ডব চালান। পরে পঞ্জাব পুলিশের একটি দল এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। একই ঘটনা ঘটেছে মোহালির একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও। সেখানেও চার কাশ্মীরি পড়ুয়া আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর। আক্রান্ত এক ছাত্র হামলার লাইভ স্ট্রিমও করেন ফেসবুকে। শিক্ষার্থীদের উপর রড ও লাঠি দিয়ে হামলা করা হয়।

একই কলেজের অপর এক ছাত্র শোয়েব বলেন, ‘আমরা আমাদের হোস্টেলের রুমে ছিলাম তখন বাইরে থেকে কিছু শব্দ শুনতে পাই। আমরা কি ঘটছে তা দেখতে গিয়েছিলাম এবং অন্য ব্লকে কিছু লোককে কাশ্মীরি ছাত্রদের আক্রমণ করতে দেখেছি। তারা ঘরের জানালার কাচ ভেঙ্গে ক্রমাগত ‘তুমি পাকিস্তানি’ বলে চিৎকার করছিল।’

অন্য এক ছাত্র বলেন, ‘স্থানীয় পঞ্জাবিরা আমাদের উদ্ধার করতে এসেছিল। তারা আমাদের এই হামলা থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিল।’ আরও বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী জানিয়েছেন যে তাঁরা কলেজ প্রশাসনের সঙ্গে এই হামলা প্রসঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাঁদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হবে।

সঙ্গুরের এক পুলিশ আধিকারিক ইঞ্জিনিয়রিং কলেজ সম্পর্কে জানিয়েছেন, ‘‘ওই প্রতিষ্ঠানটিতে মোট ৯০ জন কাশ্মীরি পড়ুয়া রয়েছেন আর ৩০ জনের মতো ছাত্র বিহার ও উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। মোট দু’টি হস্টেলে কাশ্মীরের পড়ুয়ারা থাকেন।’’ যদিও সোমবার সকালে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার জন্য দু’পক্ষই ক্ষমা চেয়ে মিটমাট করে নিয়েছে।

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest