More Children Getting Infected By Omicron, says WHO Chief Scientist

ওমিক্রন থাবা বসাচ্ছে ৫ বছরের কম বয়সিদের মধ্যে! উদ্বেগে গবেষকরা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

বিশ্বের ৩৮টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাসের (Coronavirus) নতুন স্ট্রেন ‘ওমিক্রন’ (Omicron)। যদিও আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুর কোনও খবর এপর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবুও নয়া এই স্ট্রেনকে ঘিরে বাড়ছে উদ্বেগ। এরই মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার (South Africa) বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ বাড়তে দেখা যাচ্ছে।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ কমিউনিকেবল ডিজিজ (NICD)-র পক্ষ থেকে ডা: ওয়াসিলা জাসাত বলেন, ‘আমরা দেখেছি দেশের প্রথম এবং দ্বিতীয় ঢেউয়ে শিশুরা খুব একটা বেশি করোনায় আক্রান্ত হননি। কিন্তু, তৃতীয় ঢেউয়ের ক্ষেত্রে শিশুদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ দেখা গিয়েছিল। সেই সময় পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের থেকে শুরু করে ১৫-১৯ বছর বয়সীরা কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিল। করোনার চতুর্থ ঢেউয়ের ক্ষেত্রে সমস্ত বয়সের মানুষদের দেহে থাবা বসাচ্ছে করোনার নতুন স্ট্রেন। এক্ষেত্রে অনুর্ধ্ব ৫-দের দেহে বেশি করে থাবা বসাচ্ছে কোভিড।’

এক্ষেত্রে মনে করা হচ্ছে করোনার নতুন ভ্যারিয়্যান্ট ওমিক্রন শিশুদের জন্য বেশি সংক্রামক। ওয়াসিলার কথায়, ‘যত দিন যাচ্ছে তত শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ বাড়ছে। ৫ অনুর্ধ্ব শিশুদের ভর্তি করতে হচ্ছে হাসপাতালে। দেশে সবথেকে বেশি করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন ৬০ ঊর্ধ্বরা। তারপরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ৫ বছরের কম বয়সীরা। তবে চতুর্থ ঢেউয়ের একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে দেশ। সেক্ষেত্রে এখনই কোনও মন্তব্য বা সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব নয়।’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্যা স্বামীনাথন জানান, প্রথম সংক্রমণের ৯০ দিন পরে ডেল্টা ভেরিয়েন্টের তুলনায় ওমিক্রন ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তিনগুণ বেশি। ওমিক্রন ভেরিয়েন্ট বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রভাবশালী স্ট্রেন, এবং এই ভেরিয়েন্টেরর সংক্রমণযোগ্যতা সম্পর্কে যথেষ্ট ডেটা পেতে সময় লাগবে। তিনি আরও বলেন দক্ষিণ আফ্রিকায় ওমিক্রন ভেরিয়েন্টের আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। রিপোর্টে দেখা গিয়েছে যে সে দেশে আরও বেশি শিশু এই স্ট্রেনে আক্রান্ত হচ্ছে। দক্ষিণ আফ্রিকা করোনা পরীক্ষার হার বাড়িয়েছে। ফলে আরও বেশি সংখ্যায় আক্রান্তের খোঁজ মিলছে।

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest