করোনায় অনাথ শিশুদের পড়াশোনার ভার নিল কেন্দ্র, ভবিষ্যতে মিলবে ১০ লক্ষ টাকা

পিএম কেয়ার্স ফান্ডের অর্থ দিয়ে এই অনাথ শিশু এবং স্কুল পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ একটি প্রকল্প শুরু করা হবে৷
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

কোভিডে অনেক শিশুই তাদের বাবা মাকে হারিয়েছে। বাড়ির একমাত্র উপার্জনক্ষমও ব্যক্তিকেও কেড়ে নিয়েছে করোনা। এব্যাপারে শুক্রবারই সুপ্রিম কোর্ট জানতে চেয়েছিল কেন্দ্রের কাছে, কেমন আছে তারা? এমনকী তাদের তথ্যপঞ্জি নির্দিষ্টি পোর্টালে আপলোড করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। এবার সেই শিশুদের পাশে সবরকমভাবে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

কেন্দ্রের ঘোষণা অনুযায়ী, করোনা আক্রান্ত হয়ে যাদের বাবা-মা মারা গিয়েছে, এমন অনাথ শিশু বা স্কুল পড়ুয়ারা যখন ১৮ বছরে পৌঁছবে তখন তাদের জন্য তৈরি থাকবে ১০ লক্ষ টাকার তহবিল৷ সেই টাকা থেকে তাদের উচ্চশিক্ষার জন্য় মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করা হবে৷ আর ২৩ বছর বয়স হলে তারা এককালীন টাকা পাবে৷ এ দিন ট্যুইট করে কেন্দ্রের এই উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ দ্বিতীয় নরেন্দ্র মোদি সরকারের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তির আগের দিন এই ঘোষণা করা হল৷

করোনার ধাক্কায় যারা অনাথ হয়েছে, তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে এ দিন একটি বৈঠকে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ সেই বৈঠকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ সিদ্ধান্ত হয়েছে, অনাথ এই শিশু বা স্কুল পড়ুয়াদের জন্য ফিক্সড ডিপোজিট করা হবে৷ পিএম কেয়ার্স ফান্ড থেকেই এর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ দেওয়া হবে৷

ট্যুইটারে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘করোনায় অনেক শিশুই তাদের বাবা-মাকে হারিয়েছে৷ সরকার এই শিশুদের খেয়াল রাখবে, তাদের জন্য সম্মানজনক জীবনের পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য সুযোগ তৈরি করে দেবে৷ পিএম কেয়ার্স তহবিল থেকে এই শিশুদের পড়াশোনা এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করা হবে৷’

আরও পড়ুন: ‘২১-এর ডিসেম্বরের মধ্যেই টিকা পাবেন সব ভারতীয়’, ঘোষণা কেন্দ্রের

প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে জানানো হয়েছে, পিএম কেয়ার্স ফান্ডের অর্থ দিয়ে এই অনাথ শিশু এবং স্কুল পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ একটি প্রকল্প শুরু করা হবে৷ যাতে এই শিশুরা ১৮ বছর বয়স হলেই উচ্চশিক্ষার জন্য প্রতি মাসে তারা ভাতা পাবে৷ আর ২৩ বছর বয়স হলে পেশাদারি প্রয়োজনে কাজে লাগানোর জন্য তারা এককালীন টাকা পাবে৷

শুধু তাই নয়, এই শিশুদের বিনামূল্যে পড়াশোনার ব্যবস্থাও করা হবে৷ দশ বছরের নীচে যাদের বয়স তাদের কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে ভর্তি করার ব্যবস্থা করা হবে৷ অথবা বেসরকারি স্কুলে পড়লে যাবতীয় খরচ বহন করা হবে পিএম কেয়ার্স ফান্ড থেকেই৷ ১১ থেকে ১৮ বছর বয়সি যে স্কুল পড়ুয়ারা করোনায় নিজেদের বাবা-মাকে হারিয়েছে, তাদেরকেও কেন্দ্রীয় সরকারি আবাসিক স্কুলে পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হবে৷ যদি দেখা যায় তারা পরিবারের অন্য সদস্যদের কাছে থাকতে চায়, সেক্ষেত্রে ওই পড়ুয়াদের বেসরকারি স্কুলে ভর্তির ব্যবস্থাও করা হবে৷

এ ছাড়াও উচ্চশিক্ষার জন্য অনাথ এই শিশু বা স্কুল পড়ুয়াদের ঋণ পেতে সাহায্য করা হবে৷ ঋণের সুদও কেন্দ্রীয় সরকারই বহন করবে৷ প্রয়োজনে তাদের বৃত্তিও দেওয়া হবে৷ আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে এই অনাথ শিশু বা কিশোর-কিশোরীদের ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্য বিমার ব্যবস্থাও করবে কেন্দ্র৷

আরও পড়ুন: ‘যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় প্রাণঘাতী হামলা’,মুখ্যসচিব বদলি ইস্যুতে মমতার পাশে সোনিয়ারা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest