New Delhi is in the process of recognizing the new Taliban government in Afghanistan

আফগানিস্তানে নয়া তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার তোড়জোড় শুরু নয়াদিল্লির

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

আফগানিস্তানে নবগঠিত তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দিতে তোড়জোড় শুরু দিল্লির। কূটনৈতিক মহলের দাবি, সবকিছু ঠিক থাকলে, এ মাসের ১৭ তারিখ তাজকিস্তানে হতে চলেছে সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠক। এই বৈঠকে যোগ দেবেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। ভারচুয়ালি তাতে হাজির থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। মনে করা হচ্ছে এই বৈঠকেই তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যাপারে সবুজ সংকেত দিতে পারে মোদি সরকার। মূলত আফগানিস্তানে ইতিমধ্যেই ৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে ফেলার কারণেই তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হচ্ছে ভারত, এমনি মত কূটনৈতিক মহলের।

র্তমানে পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতেও শুরু করেছে। শেষপর্যন্ত কি আফগানিস্তানে সদ্য গঠিত তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দেবে ভারত? এই প্রশ্ন এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। কূটনৈতিক মহলের দাবি, সবকিছু ঠিক থাকলে, এই সপ্তাহেই হয়তো তাতে সিলমোহর বসাতে পারে দিল্লি। এ মাসের ১৭ তারিখ তাজকিস্তানে হতে চলেছে সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠক। এই বৈঠকে যোগ দেবেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। ভারচুয়ালি তাতে হাজির থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। মনে করা হচ্ছে এই বৈঠকেই তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যাপারে সবুজ সংকেত দিতে পারে মোদি সরকার।

কূটনৈতিক মহলের দাবি, গত সপ্তাহে দিল্লিতে আমেরিকা ও রাশিয়ার সঙ্গে বৈঠকে তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যাপারে কার্যত নীল-নকশা তৈরি করা ফেলা হয়েছে। রবিবার এক বৈঠকে এই ব্যাপারে অস্ট্রেলিয়ার থেকেও সম্মতি আদায় করে ফেলেছে দিল্লি। ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া যৌথভাবে মনে করে আফগানিস্তানে মূলত ক্ষমতা ও কর্তত্বের সরকার গঠিত হচ্ছে। এই অবস্থায় দিল্লি চায় তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দিয়ে তাদের আঁচ থেকে কাশ্মীরকে বাঁচাতে। আর এই ইস্যুতে দিল্লির পাশে আছে অস্ট্রেলিয়াও। কারণ, তালিবান আসার আগে আফগানিস্তানে বিনিয়োগ করেছে ক্যানবেরাও।

আগামী সপ্তাহে তাজিকিস্তানের রাজধানী দুশানবে গিয়ে রাশিয়া, ইরান, তাজিকিস্তান-সহ SCO অন্তর্ভুক্ত অন্যান্য দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক সারবেন এস জয়শংকর। বৈঠকে থাকবেন চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই, রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ, ইরানের বিদেশমন্ত্রী হোসেন আমির আবদুল্লাহিয়ান এবং পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশিও। আর মূল আলোচনার বিষয়বস্তুই হবে আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি। আর সেখানেই তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দিতে পারে নয়াদিল্লি।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest