Nsa's meeting on afghanistan today focus on regional security

আফগান পরিস্থিতি নিয়ে দিল্লিতে আজ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, থাকছে না চিন-পাকিস্তান, নজরে রাশিয়া

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

আফগানিস্তান পরিস্থিতি নিয়ে আজ, বুধবার বহু প্রতীক্ষিত জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পর্যায়ের বৈঠক। আফগানিস্তানে নির্বাচিত সরকারের পতন করে ক্ষমতার দখল নিয়েছে তালিবান। এই পরিস্থিতিতে আফগানিস্তান নিয়ে এনএসএ পর্যায়ের বৈঠক আয়োজন করে ভারত। এই বৈঠকের নেতৃত্ব দেবেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল।

বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য ভারত আমন্ত্রণ জানিয়েছে, রাশিয়া, চিন, ইরান, পাকিস্তান, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তানের মতো আফগান প্রতিবেশী দেশগুলিকে। তবে পাকিস্তান এবং পরে চিন এই বৈঠক যোগ না দেওয়ার বিষয়ে আগেই জানিয়ে দিয়েছে। এই বৈঠকে আফগানিস্তানের কোনও প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

দু’দিনের বৈঠকের প্রথম দিন, আজ, মঙ্গলবার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল আলোচনায় বসেছেন তাজিকিস্তান এবং উজ়বেকিস্তানের নিরাপত্তা কর্তাদের সঙ্গে। আগামিকাল রাশিয়া এবং ইরানের নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ডোভালের।

ভারত আপাতত নিজেদের আফগান-নীতিকে পুরো অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে। রাশিয়ার উপরে এ ক্ষেত্রে সব চেয়ে বেশি নির্ভর করতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে খবর, দু’টি দেশই একমত যে, আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ ঠিক করবেন সে দেশের সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষ। দু’দেশের নিরাপত্তা কর্তাই মনে করেন, আন্তর্জাতিক আঙিনায় স্বীকৃতি আদায়ের চেষ্টার আগে আফগান সরকারের উচিত আগে নিজেদের দেশে তা পাওয়া। আফগানিস্তানের প্রতিবেশী দেশগুলি যাতে আফগানবাসীর কাছে সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য বাধাহীন সংযোগ স্থাপন করতে পারে, সে ব্যাপারেও তৎপর হওয়ার চেষ্টা করা হবে। উজ়বেকিস্তান এবং ভারত উভয়েই মনে করে, কাবুলের পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির।

এদিকে, ভারতের ডাকা বৈঠক এড়িয়ে চিনের যুক্তি, আফগানিস্তানে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক স্তরের আলোচনাতেই জোর দেওয়া হবে। ঙ্গলবার চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, “বৈঠকের দিনক্ষণ যে রকম, তাতে যোগ দেওয়া চিনের পক্ষে অসুবিধাজনক।” কিন্তু এ যে নেহাতই কথার মোড়ক, তা বুঝতে অসুবিধা নেই সাউথ ব্লকের। আফগানিস্তান থেকে আমেরিকা সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়ার পরে যে অস্থিরতা সেখানে তৈরি হয়েছে, তার সুযোগ নিতে চায় চিন। সেখানে পাকিস্তানের সাহায্য নিয়ে নানা ভাবে নিজেদের প্রভাব বাড়ালে, গোটা অঞ্চলে আধিপত্য কায়েম করতে সুবিধা হবে বলেই মনে করছে বেজিং।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest