PETITION TO THE SUPREME COURT SEEKING SIT FORMATION IN THE PEGASUS CASE

পেগাসাস কাণ্ডে তদন্তের দাবিতে জনস্বার্থ মামলা সুপ্রিম কোর্টে,মমতার আবেদনই কি নজর কাড়ল ?

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

পেগাসাস কাণ্ড নিয়ে এ বার জনস্বার্থ মামলা (PIL) দায়ের হল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। বৃহস্পতিবার আইনজীবী এমএল শর্মা ইজরায়েলি স্পাইওয়্যার পেগাসাস(Pegasus)-র মাধ্যমে দেশের নেতা-মন্ত্রী থেকে শুরু করে সাংবাদিক, শিল্পপতি সহ ৫০ হাজার নাগরিকের উপর নজরদারি করার বিষয়ে একটি তদন্তের দাবি জানিয়ে রিট পিটিশন (Writ Petition) দাখিল করেছেন।

আরও পড়ুন :HS Results 2021: মাধ্যমিকে পঞ্চম -উচ্চ মাধ্যমিকে ‘প্রথম’ – চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন রুমানা সুলতানার চোখে

বাদল অধিবেশন শুরুর আগের রাতে, গত রবিবারই পেগাসাসের বিষয়টি সামনে আসে। প্যারিসের একটি স্বাধীন সংবাদমাধ্যম ফরবিডেন স্টোরিজ নজরদারি চালনোর গোটা ঘটনাটি সামনে আনে। এরপর একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে দাবি করা হয় যে, দুই মন্ত্রী, একাধিক বিরোধী নেতা, আইনজীবী, সাংবাদিক, বিশিষ্ট শিল্পপতি সহ প্রসিদ্ধ ৪০ জনের ফোনে আড়ি পাতা হয়েছে পেগাসাস স্পাইওয়্যারের মাধ্যমে। এই তালিকায় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, নির্বাচনী রণকৌশলী প্রশান্ত কিশোরের মতো বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের উপর নজরদারি চালানোর অভিযোগ ওঠে।

ইজরায়েলি সংস্থা এনএসও গ্রুপের তরফে জানানো হয়েছে, কোনও ব্যক্তির ব্যবহারের জন্য নয়, তারা কেবল সরকারের কাছেই এই প্রযুক্তি বিক্রি করে। এরপরই লোকসভা ও রাজ্যসভাতেও পেগাসাস কাণ্ড ঘিরে সরব হয়েছে বিরোধীরা। তাদের অভিযোগ, এক্তিয়ারের বাইরে বেরিয়ে কেন্দ্র সাধারণ মানুষের গতিবিধিতে নজর রাখছে।

এ দিন আইনজীবী এমএল শর্মা সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানান, প্রশাসন পেগাসাস স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে যে নজরদারি চালিয়েছে, তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করে যেন তদন্ত করা হয়।পিটিশনে বলা হয়েছে, পেগাসাস স্পাইওয়্যারের ব্যবহারে শুধু ফোন হ্যাক করা হচ্ছে তা নয়, যাঁর ফোন হ্যাক করা হচ্ছে তাঁর সঙ্গে যুক্ত বাকিদের নিরাপত্তাও প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে যায় ৷ ক্লায়েন্ট কোম্পানি এনএসও গ্রুপ (NSO Group) প্রায় পঞ্চাশ হাজার ফোন নম্বর 2016 সাল নাগাদ থেকে টার্গেট তালিকায় রেখেছে ৷ পেগাসাস শুধু নজরদারিই চালায় না, এটি এক প্রকারের সাইবার-অস্ত্র যেটা ভারতীয় রাজনীতির উপর ক্ষেপণ করা হয়েছে ৷ যদিও এখনও পর্যন্ত এনিয়ে কোনও তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তবে যদি ধরেও নেওয়া হয় যে পেগাসাসের ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকারি স্বীকৃত দেওয়া হয়েছে, সেক্ষেত্রেও তা জাতীয় সুরক্ষার ক্ষেত্রে তা ঝুঁকিপূর্ণ ৷

আরও পড়ুন : আপনার কি ঘনঘন মন খারাপ হয়? জানেন কি এটা হতে পারে ভিটামিন ডি-এর অভাবে?

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest