Rahul Gandhi's Twitter temporarily suspended, It was opened after a while

নির্যাতিতার পরিবারের ছবি টুইটের জের! সাময়িকভাবে সাসপেন্ড Rahul Gandhi’র টুইটার

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) টুইটার হ্যান্ডেল সাময়িকভাবে সাসপেন্ড। শনিবার রাত আটটা ২০ নাগাদ কংগ্রেসের অফিশিয়াল টুইটার হ্যান্ডেল থেকে টুইটে জানানো হয়, রাহুল গান্ধীর টুইটার হ্যান্ডেল সাময়িকভাবে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এবং তা ঠিক করার প্রক্রিয়া চলছে। ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি ফেসবুক এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে নিজের ফলোয়ারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন। যদিও, কংগ্রেসের (Congress) টুইটের কিছুক্ষণ পরই ওয়ানড়ের সাংসদের অ্যাকাউন্টটি খুলে দেওয়া হয়েছে।

গত রবিবার শ্মশানের ঠান্ডা জলের মেশিন থেকে জল আনতে গিয়ে আর বাড়ি ফেরেনি ৯ বছরের ওই শিশু। পরে শ্মশানের মধ্যেই মেয়েটির দেহ উদ্ধার হয়। মেয়েটির পরিবার পুলিশে খবর দিতে গেলে, বাধা দেওয়া হয় তাঁদের। তাঁদের বসিয়ে রেখে চোখের সামনেই জোর করে দাহ করে দেওয়া হয় শিশুটির দেহ। মেয়েটির পরিবারের অভিযোগ, ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে তাঁদের মেয়েকে। ওই ঘটনায় শ্মশানের পুরোহিত-সহ তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে মেয়েটির দেহ দাহ করে দেওয়ায়, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থেকে নির্দিষ্ট করে কিছু জানা যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্তদের দাবি, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গিয়েছে মেয়েটি।

আরও পড়ুন: ছ’মাসে অন্তত ছ’বার বদল, তবু টিকা নীতি নিয়ে প্রশ্ন করলেই বিরক্তি বিজেপি নেতাদের

তবে গোটা ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অভিযোগ পাওয়া মাত্র অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করে মেয়েটির পরিবারকে থানায় তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের হাতে থাকা দিল্লি পুলিশের এমন আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরাও। গোটা ঘটনায় নীরবতা পালনের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহকেও আক্রমণ করেছেন তাঁরা। সেই পরিস্থিতিতেই মেয়েটির পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান রাহুল এবং সেই ছবি নিজের টুইটার হ্যান্ডলে পোস্ট করেন, যা নিয়ে আগেই আপত্তি তুলেছিল বিজেপি। টুইটারে নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে প্রাক্তন কংগ্রেস (Congress) সভাপতি লেখেন, “এই মা-বাবার চোখের জল শুধু একটা কথাই বলছে, ওঁদের মেয়ের জন্য সুবিচার চায়। আর এই সুবিচারের পথে আমি ওঁদের সঙ্গে আছি।”

তবে শুধু বিজেপি নয়, জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনও বিষয়টি নিয়ে রাহুলের সমালোচনা করে। দিল্লি পুলিশ এবং টুইটার কর্তৃপক্ষকে এ নিয়ে পদক্ষেপ করার আর্জিও জানায় তারা। অভিযোগ ওঠে, যৌন নির্যাতন থেকে শিশু সুরক্ষা আইন (পকসো) এবং শিশু সুরক্ষা আইন লঙ্ঘন করেছেন রাহুল। অভিযোগ পেয়ে প্রথমে রাহুলের টুইটটি সরিয়ে নেয় টুইটার। তার পরই সাময়িক ভাবে তাঁর হ্যান্ডলটি সাসপেন্ড করা হয়।

আরও পড়ুন: ত্রিপুরায় গ্রেফতার ১১ তৃণমূল নেতা, পৌঁছলেন ব্রাত্য-দোলা-কুণাল, যাচ্ছেন অভিষেক

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest