তবলিগ জামাত করোনা ছড়াচ্ছে, এই অপপ্রচারের দায়ে তিন টিভি চ্যানেলকে লক্ষাধিক টাকা জরিমানা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

করোনা সংক্রমণের জন্য দিল্লির নিজামুদ্দিন তবলিগি মারকাজের ইজতেমা বা সম্মেলনকে দায়ী করে গেরুয়া দোসর মিডিয়াগুলি বিদ্বেষ প্রচার শুরু করেছিল। মারকাজ বারবার জানিয়েছিল এই সংক্রমণের পিছনে তাদের কোনো ভূমিকা নেই। কিন্তু বিজেপি চাচ্ছিল সব দায় তাদের ওপর চাপাতে। তাতে ফের কেবার বিদ্বেষ উস্কে দেওয়া সহজ হত। কেবল মিডিয়া নয় , কেন্দ্রের তরফেও সেসময় যেসব বিবৃতি দাপিয়ে হয়েছিল, তা ছিল পক্ষপাতদুষ্ট। কিন্তু এত করেও শেষ পর্যন্ত ধর্মের কল বাতাসে নড়লো। ঝুলি থেকে বের হল বেড়াল। নরেন্দ্র মোদীর অপরিণামদর্শিতা সামনে এল। অবশেষে তবলিগ জামাত তাদের বিরুদ্ধে করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর অপপ্রচার নিয়ে ইনসাফ পেল।

আরও পড়ুন: ‘মমতার লড়াই ও বাঙালি ঐক্য দেশের কাছে অনুপ্রেরণা’, নেত্রীর প্রশংসায় উদ্ধব ঠাকরে

বুধবার জাতীয় ব্রডকাস্টিং স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি (এনবিএসএ) দিল্লির নিজামুদ্দিনে মারকাজে তবলিগ জামাতের বিরুদ্ধে করোনার প্রথম তরঙ্গে ‘ঘৃণা উস্কে দেওয়ার’ অভিযোগে জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দিল তিনটি নিউজ চ্যানেলকে। এই তিনটি নিউজ চ্যানেল হল টাইমস নাউ, কর্নাটকের দুটি আঞ্চলিক চ্যানেল নিউজ ১৮ কন্নড় ও সুবর্ণা নিউজ। পৃথক পৃথক ভাবে এই তিনিটি নিউজ চ্যানেলকে জরিমানা দিতে বলা হয়েছে।

নিউজ ১৮ কন্নড়কে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং পরের সপ্তাহে ২৩ শে জুন প্রাইম টাইমে (সকাল সাড়ে ৯ টার আগে) লিখে ও কণ্ঠে ক্ষমা চাওয়ার কথা বলা হয়েছে। সুবর্ণা নিউজকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দুটি আঞ্চলিক চ্যানেলকে তাদের ওয়েবসাইট এবং সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলগুলি থেকে সাত দিনের মধ্যে ‘ঘৃণ্য’ বিষয়বস্তু সরিয়ে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। আগামী ২৩ জুনের মধ্যে টেক্সট ও ভয়েস দুভাবেই ক্ষমা চাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

২০২০ সালে ক্যাম্পেইন অ্যাগেইনসট হেট স্পিচ (সিএইচএস)-এর বিরুদ্ধে অভিযোগের পরে এনবিএসএ এই আদেশ জারি করেছে। এনবিএসএ হ’ল নিউজ ব্রডকাস্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এনবিএ) নিয়ন্ত্রক সংস্থা, ভারতের বিভিন্ন বর্তমান বিষয় এবং নিউজ টেলিভিশন সম্প্রচারকদের একটি বেসরকারি সংস্থা।

এনবিএসএ আদেশে বলেছে, “কর্মসূচিগুলি পূর্ববিচারমূলক, বিদ্বেষমূলক এবং ধর্মীয় গোষ্ঠীর অনুভূতির জন্য কোনও উদ্বেগ ছাড়াই ভাল মুখরোচক এবং সংবেদনশীলতার সমস্ত সীমানা অতিক্রম করেছিল। আদেশে বলা হয়েছে তবলিগিদের বিরুদ্ধে প্রচারে ‘শুধুমাত্র অনুমানের উপর ভিত্তি করে’ এবং ‘প্রচারের ধরন ও  ভাষা ছিল নির্বোধ, কুসংস্কারযুক্ত এবং অসম্মানজনক’।

আরও পড়ুন:  ইরানের নতুন প্রেসিডেন্টকে নিয়ে ‘গভীর উদ্বেগে’ ইসরায়েল

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest