Was offered Rs 300 crore bribe to clear files of 'Ambani' and 'RSS-linked man', claims ex-J&K Governor Satya Pal Malik

আম্বানি ও আরএসএস নেতার ফাইল পাস করাতে ৩০০ কোটির প্রস্তাব! বিজেপির অস্বস্তি বাড়ালেন মেঘালয়ের রাজ্যপাল

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

ফের বিস্ফোরক মেঘালয়ের রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক (Satya Pal Malik)। আগেও কৃষক বিক্ষোভ (Farmers Protest) নিয়ে উলটো সুরে কথা বলতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। সেই সঙ্গে বিজেপিকে তোপও দেগেছিলেন তিনি। আবারও কৃষি আইনের বিরুদ্ধে চলতে থাকা বিক্ষোভকে সরাসরি সমর্থন জানালেন তিনি। সেই সঙ্গে দাবি করলেন, কাশ্মীরের রাজ্যপাল থাকাকালীন আম্বানি ও এক আরএসএস নেতার দুর্নীতির ফাইল পাস করিয়ে দেওয়ার জন্য ৩০০ কোটি টাকা ঘুষ দিতে চাওয়া হয়েছিল তাঁকে!

ঠিক কী জানিয়েছেন সত্যপাল?তাঁর কথায়, ”আমি কাশ্মীরে যাওয়ার পরে দু’টি ফাইল আমার সামনে আসে। একটিতে আম্বানি ও অন্যটিতে সঙ্ঘের এক বড় অফিসার যুক্ত ছিল। একজন মেহবুবার মন্ত্রিসভার সদস্য। অন্যজন প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। আমি জানতে পেরেছিলাম ওই দুই ফাইলেই বড়সড় দুর্নীতি রয়েছে। আমাকে বলা হয়েছিল প্রতিটি ফাইলের ক্লিয়ারেন্সের জন্য আমায় দেড়শো কোটি টাকা করে দেওয়া হবে। আমি দুটোই বাতিল করে দিয়েছিলাম। আমার সেক্রেটারি আমাকে ওই অফারের কথা জানিয়েছিল। আমি ওকে বলেছিলাম, আমি পাঁচটা কুর্তা-পাজামা নিয়ে এসেছিলাম। কেবল ওইটুকু নিয়েই চলে যেতে পারি।”

রাজস্থানের ঝুনঝুনুতে এক জনসভায় এমনই বিস্ফোরক দাবি জানিয়েছেন সত্যাপাল। সেই বক্তৃতার ভিডিও ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। নিজের সাদামাটা জীবনযাপনের কথা জানিয়ে সত্যপালের সটান বক্তব্য, তিনি গরিব। সেটাই তাঁর শক্তি। আর সেই কারণেই তিনি দেশের যে কোনও শক্তিশালী ব্যক্তির সঙ্গেই লড়াই করতে পারবেন।

ফাইল দু’টি ঠিক কী, তা সত্যপাল উল্লেখ না করলেও মনে করা হচ্ছে, তিনি সম্ভবত সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের স্বাস্থ্যবিমা সংক্রান্ত ফাইলটির উল্লেখ করছেন যেটি অনিল আম্বানির রিলায়েন্স গ্রুপের সাধারণ বিমারই একটি অংশ ছিল। ২০১৮ সালের অক্টোবরে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্যপাল থাকাকালীন রিলায়েন্সের সাধারণ বিমা সংক্রান্ত একটি চুক্তি বাতিল করে দিয়েছিলেন। মনে করা হচ্ছে, এবারও সেই ফাইলটির প্রসঙ্গই তুলেছেন তিনি। কিন্তু তিনি দু’টি ফাইলই ফেরত পাঠান এবং বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে জানান। মালিকের দাবি, মোদী তাঁকে দুর্নীতির সঙ্গে আপস না করারই পরামর্শ দিয়েছিলেন।

মালিকের অভিযোগ প্রসঙ্গে মোদী-ঘনিষ্ঠ শিল্পগোষ্ঠীটির তরফে কোনও বক্তব্য মেলেনি। তবে গোটা বিষয়টি নিঃসন্দেহে অস্বস্তি বাড়িয়েছে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের।

অন্যদিকে, ফের একবার কৃষক বিক্ষোভ নিয়েও তিনি মুখ খুলেছেন। দাবি করেছেন, যদি কৃষক বিক্ষোভ অব্যাহত থাকে, তাহলে তিনি নিজের পদ থেকে সরে গিয়ে কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত। বর্ষীয়ান সত্যপালের দাবি, ”আমি কোনও অন্যায় করিনি। আর তাই আমি এটা করতে পারি, কারও তোয়াক্কা না করে।”

 

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest