WhatsApp Lawsuit: গোপনীয়তা কেন, কোনও অধিকারই চূড়ান্ত নয়, হোয়াটসঅ্যাপের পিটিশনে জানাল কেন্দ্র

রবিশঙ্করের যুক্তি, হোয়াটসঅ্যাপের উপরও কেন্দ্রের বিধিনিয়ম কার্যকর হয়। কোন বার্তা কোথা থেকে আসছে, তা জানাতে বাধ্য তারা, যাতে দেশের সার্বভৌমত্ব এবং অখণ্ডতা রক্ষায় গুরুতর অপরাধ বিচার করে দোষীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা যায়, তাদের শাস্তি দেওয়া যায়।
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার কখনোই চূড়ান্ত নয়। মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপের দায়ের করা পিটিশনের প্রেক্ষিতে এমনটাই জবাব দিল কেন্দ্র। বুধবার থেকে কার্যকরী হচ্ছে সরকারের নয়া ডিজিটাল বিধি। এই নিয়ম অনুযায়ী, হোয়াটসঅ্যাপে কোনও মেসেজের উৎস কোথায়, অর্থাৎ সেই বার্তাটি কে পাঠিয়েছেন, সেটা খুঁজে বের করতে হবে। আর এতেই বেঁকে বসেছে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষে। তাদের দাবি, এর ফলে ব্যবহারকারী নাগরিকদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ক্ষুণ্ণ হবে। কারণ, তখন এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশনের কোনও ভূমিকা থাকবে না।

আরও পড়ুন : বাংলায় হেরে উত্তরপ্রদেশে জিততে মরিয়া বিজেপি, মাথাব্যথা নেই করোনা নিয়ে! তোপ শিব সেনার

এর উত্তরে অবশ্য কেন্দ্রের বক্তব্য খুব স্পষ্ট। তাদের দাবি, সরকার অবশ্যই দেশের নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য গোপন ও সুরক্ষিত রাখার পক্ষপাতী। কিন্তু তারও কিছু ‘সীমাবদ্ধতা’ আছে। আর তা ছাড়া সাংবিধানিক অধিকার কখনওই ‘চূড়ান্ত’ নয়।

কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, ‘আইনি পরিকাঠামোয় কোনও মৌলিক অধিকার, এমনকী গোপনীয়তার অধিকারও শেষ কথা নয়। এরও কিছু যৌক্তিক সীমানা রয়েছে।’ বিশেষজ্ঞদের মতে, ভেঙে না বললেও ‘সীমানা’ বলতে এখানে তিনি হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে সোর্স বা উৎসের খুঁজে বের করা সংক্রান্ত বিষয়টিকেই বুঝিয়েছেন।

বুধবার থেকে দেশে কেন্দ্রের ডিজিটাল নজরদারি বিধি চালু হয়েছে, যার আওতায় নেটমাধ্যমে প্রকাশিত যাবতীয় লেখালেখি এবং ভিডিয়োর উৎস কেন্দ্রকে জানাতে বাধ্য থাকবে হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবের মতো সংস্থাগুলি। মূলত সরকার বিরোধী সমালোচনায় রাশ টানতেই কেন্দ্র এমন পদক্ষেপ করছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের। বেশ কিছু সংস্থা ইতিমধ্যেই সেই বিধিনিয়ম কার্যকর করতে নেমে পড়লেও এ নিয়ে মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্টে গিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ।

হোয়াটসঅ্যাপের দায়ের করা মামলাকে গুরুত্ব দিতেই নারাজ কেন্দ্র। বুধবার কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, ‘‘নাগরিকদের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার। কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা এবং জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সরকারেরও কিছু দায়িত্ব রয়েছে। আইনি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, গোপনীয়তার অধিকার হোক বা যে কোনও মৌলিক অধিকার, কোনও কিছুই চূড়ান্ত নয়। সবকিছুর উপর অল্পবিস্তর নিয়ন্ত্রণ থাকা প্রয়োজন।’’

রবিশঙ্করের যুক্তি, হোয়াটসঅ্যাপের উপরও কেন্দ্রের বিধিনিয়ম কার্যকর হয়। কোন বার্তা কোথা থেকে আসছে, তা জানাতে বাধ্য তারা, যাতে দেশের সার্বভৌমত্ব এবং অখণ্ডতা রক্ষায় গুরুতর অপরাধ বিচার করে দোষীদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা যায়, তাদের শাস্তি দেওয়া যায়।

আরও পড়ুন : লম্বা হচ্ছে লাইন, এবার তৃণমূলে ফিরতে চাইলেন বিজেপিতে যোগ দেওয়া প্রাক্তন মন্ত্রীও

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest