লাদাখে চিনের সঙ্গে লড়তে প্রস্তুতি নিচ্ছে সেনা,এলএসি বরাবর মোতায়েন T-90, T-72 ট্যাঙ্ক

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest

প্রস্তুতি ছিলই। একের পর এক বৈঠকের পরও লাদাখে চিনের সঙ্গে সম্পর্কের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।এ বার পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় তীব্র ঠান্ডার মোকাবিলাতেও প্রস্তুত হচ্ছে ভারতীয় সেনা। প্রায় ১৪,৫০০ ফুট উচ্চতায় বিশ্বের উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্রে ট্যাঙ্ক-সহ সমস্ত পদাতিক যুদ্ধযান নিয়ে প্রস্তুত সেনা জওয়ানরা। মাইনাস ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রাতেও যুদ্ধ করতে সমান পারদর্শী— এমন যুদ্ধযান মোতায়েন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে মহড়া।

চুমার-ডেমচকে সারি সারি টি-৯০ যুদ্ধট্যাঙ্ক ও সাঁজোয়া গাড়ি মোতায়েন করা হয়েছে। বিএমপি-২ দ্বিতীয় প্রজন্মের ইনফ্যান্ট্রি ফাইটিং ভেহিকল ও টি-৭২ ট্যাঙ্কও প্রস্তুত রেখেছে ভারতীয় বাহিনী। ভিডিওতে দেখা গেছে এমনটাই।

আরও পড়ুন : কৃষি বিল সঙ্ঘাত, ফারাক সরকারি বয়ান আর ভিডিয়ো ফুটেজে

শীতের মরসুমে মাইনাস ২০ থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যায় পূর্ব লাদাখের তাপমাত্রা। প্রতি বছরই শীত আসার আগে তার জন্য প্রস্তুতি চলে সেনাবাহিনীতে। কিন্তু এ বার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। মে মাস থেকে প্যাংগং লেক, গালওয়ান উপত্যকা-সহ প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় আগ্রাসন শুরু করে চিনা বাহিনী।

ভারতও প্রচুর সেনা মোতায়েন করে। তার জেরে ১৫ জুন গালওয়ানে ঘটে যায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। তার পর কূটনৈতিক ও সামরিক স্তরে বৈঠকের পর বৈঠকে উত্তেজনা কিছুটা স্তিমিত হয়। কিন্তু এ মাসের গোড়ায় ফের প্যাংগং লেক এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। দু’দেশের বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও যে কোনও সময় ফের পরিস্থিতি বিগড়াতে পারে। তাই এ বছর শীতের জন্য আলাদা করে প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারতীয় সেনা।

indianarmy t 90 bhismha

পূর্ব লাদাখে ভারত-চিন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় যুদ্ধের পুরো প্রস্তুতির দায়িত্বভার রয়েছে ভারতীয় সেনার ‘ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি কোর’-এর উপর। এই বাহিনীর তত্ত্বাবধানে থাকা মেজর জেনারেল অরবিন্দ কপুর বলেন, ‘‘শুধু ভারত নয়, সারা পৃথিবীতে একমাত্র ভারতীয় সেনার ‘ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি কোর’ এই রকম চরম প্রতিকূল আবহাওয়ার মোকাবিলা করেও যুদ্ধ করতে সক্ষম। এই সব ট্যাঙ্ক, যুদ্ধযান ও অস্ত্রশস্ত্রগুলি রক্ষণাবেক্ষণ করা এখানে বিরাট চ্যালেঞ্জ। অস্ত্রশস্ত্র ও সেনা দুই তরফেই পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে।’’

মিডিয়ার কাজ ছিল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করা। কিন্তু এখন বেশিরভাগই বড়ো মিডিয়া ‘বৃহত্তর সরকারি শরিক’ হয়ে কাজ করে। সরকারের কাছ থেকে এবং কর্পোরেটদের কাছ থেকে পাওয়া অর্থে তাদের ঠাঁট-বাঁট চলে। যে কারণে সরকার যে খবর জনগনের কাছে পৌঁছে দিতে চাইছে সেই খবরই জনগণ এই মিডিয়াগুলির মাধ্যমে পাচ্ছেন। এর অন্যথা হলে মিডিয়ার সরকারি বিজ্ঞাপন বন্ধ হয়ে যাব। দেশজুড়ে কৃষক প্রতিবাদের সময় যে লাদাকে ট্যাঙ্ক মোতায়েন করার কথা বড় মিডিয়া প্রচার করবে , তা বুঝতে বেশি মগজ খাটানোর দরকার নেই। কেবল ভক্ত না হলেই চলবে। দুর্ভাগ্যের বিষয় হল এদেশে বহু প্রতিষ্ঠিত মিডিয়া সরকারের হয়ে ফেক খবর ছড়াচ্ছে । সেই চেক করতে হচ্ছে সোশ্যাল সাইটে। অন্য দেশে ঠিক এর উল্টোটা হয়।

আরও পড়ুন : তুমুল বিক্ষোভেও ৩ কৃষি বিলে অনুমোদন রাষ্ট্রপতির, বিজ্ঞপ্তি জারি কেন্দ্রের

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on telegram
Share on whatsapp
Share on email
Share on reddit
Share on pinterest